খুঁজুন
, ,

বরিশালে হাতপাখার প্রার্থীর মুফতি ফয়জুল করিমের ওপর হামলা

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Monday, 12 June, 2023, 8:42 am
বরিশালে হাতপাখার প্রার্থীর মুফতি ফয়জুল করিমের ওপর হামলা

বরিশালে ইসলামী আন্দোলনের হাতপাখা প্রতীকের মেয়র প্রার্থী মুফতি ফয়জুল করিম ও তার কর্মী সমর্থকদের ওপর হামলার অভিযোগ উঠেছে নৌকার কর্মীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় দুই পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।

আজ সোমবার সকাল ১০টার দিকে বরিশাল নগরীর কাউনিয়া মেইন রোডের একটি কেন্দ্রে প্রবেশ করাকে কেন্দ্র করে এ ঘটনা ঘটে।

এর আগে কাউনিয়ার মেইন সড়কের এ কাদের চৌধুরী স্কুলকেন্দ্রে হাতপাখার ভোটার ও মানিক মিয়া স্কুল কেন্দ্র থেকে পোলিং এজেন্টকে বের করে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনা শুনে ফয়জুল করিম কেন্দ্রগুলোতে প্রবেশ করে প্রিজাইডিং অফিসারকে অভিযোগ জানান।

এরপর মানিক মিয়া স্কুলের অপরদিকের কাউনিয়া বালিকা বিদ্যালয় ঢুকতে চান তিনি। এ সময় নৌকার নেতাকর্মীরা হাতপাখার প্রার্থীকে বলেন, কয়েকজন ভেতরে ঢুকতে পারবেন। আপনারা সবাই ঢুকলে আমরাও ঢুকব। এরপর হাতপাখার প্রার্থীসহ নেতাকর্মী ও নৌকার নেতাকর্মীদের মধ্যে মারামারি শুরু হয়।

হাতপাখার প্রার্থীর অভিযোগ, ‘কেন্দ্রে ঢুকতে চাইলে তাতে বাধা দেয় নৌকার লোকজন। তারপর আমরা ঢুকতে চাইলে আমাকেসহ নেতাকর্মীদের আহত করেন।’
ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে

তবে হাতপাখার প্রার্থী দলবল নিয়ে কেন্দ্রে ঢুকতে চান বলে দাবি করেন নৌকার আহত কর্মী বিদ্যুৎ। তিনি বলেন, ‘তখন তাদের বলি এত মানুষ ঢোকা যাবে না। তারপর আমার ওপর চাকু নিয়ে হামলা করেছে হাতপাখা। আমরা বহুজন আহত হয়েছি।’

এ ব্যাপারে রিটার্নিং কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির জানান, হাতপাখার প্রার্থী দলবল নিয়ে ঢুকতে চেয়েছিল। এই নিয়ে নাকি ঝামেলা হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। এটি কেন্দ্রের বাইরের বিচ্ছিন্ন ঘটনা।

ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন

AP
প্রকাশিত: Sunday, 4 October, 2026, 10:33 pm
ডিসেম্বরে শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তনকে ঘিরে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা চলছে। তাঁর দেশে ফেরার পথে কোনো ধরনের বাধা সৃষ্টি করা হলে এর পরিণতি ভয়াবহ হতে পারে বলে দাবি করেছে নিউজের একটি জরিপ।

প্রতিবেদনটিতে দাবি করা হয়, শেখ হাসিনাকে দেশে স্বাগত জানাতে সারাদেশে বিপুলসংখ্যক মানুষ রাজপথে নামতে পারেন। জরিপের বরাত দিয়ে বলা হয়েছে, এই সংখ্যা ১২ থেকে ১৪ কোটি পর্যন্ত হতে পারে।

এতে আরও বলা হয়, আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগসহ দলটির সমর্থক বিভিন্ন সংগঠনের নেতাকর্মী এবং মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের কর্মী-সমর্থকেরা শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানাতে মাঠে নামতে পারেন।

জরিপের দাবি অনুযায়ী, সম্ভাব্য স্বাগত কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুন দেখা যেতে পারে। এসব প্রচারে শেখ হাসিনা ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি, আওয়ামী লীগের দলীয় প্রতীক এবং জাতীয় পতাকার ছবি ব্যবহারের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

প্রতিবেদনটিতে আরও দাবি করা হয়েছে,

আগামী ডিসেম্বর শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে।

তবে তাঁর প্রত্যাবর্তনের নির্দিষ্ট তারিখ, কর্মসূচি কিংবা এ বিষয়ে সরকারের আনুষ্ঠানিক অবস্থান সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়নি।

উল্লেখ্য, শেখ হাসিনার দেশে প্রত্যাবর্তনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক পরিস্থিতি কীভাবে পরিবর্তিত হবে, তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

প্রতিটি সিটি করপোরেশন ও জেলায় হবে মাস্টারপ্ল্যান: প্রধানমন্ত্রী

AP
প্রকাশিত: Sunday, 4 October, 2026, 8:24 pm
প্রতিটি সিটি করপোরেশন ও জেলায় হবে মাস্টারপ্ল্যান: প্রধানমন্ত্রী

পরিকল্পিত নগরায়নের লক্ষ্যে সরকার দেশের প্রতিটি সিটি করপোরেশন ও জেলায় মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেন, নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক, জলবায়ু-সহনশীল ও টেকসই নগর গড়ে তোলার পাশাপাশি সবার জন্য পর্যাপ্ত, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সোমবার ‘বিশ্ব বসতি দিবস ২০২৬’ উপলক্ষে আজ দেওয়া এক বাণীতে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, পরিকল্পিত নগরায়ন ও টেকসই উন্নয়নের মাধ্যমে একটি নিরাপদ, স্বাস্থ্যসম্মত ও বসবাসযোগ্য নগর গড়ে তোলাই বিশ্ব বসতি দিবস উদযাপনের অন্যতম উদ্দেশ্য। ১৯৮৬ সাল থেকে বাংলাদেশসহ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে অক্টোবর মাসের প্রথম সোমবার বিশ্ব বসতি দিবস পালিত হয়ে আসছে। ‘সর্বজনীন বাসস্থান, টেকসই নগরায়ন’ প্রত্যয় সামনে রেখে প্রতি বছরের মতো এবারও বাংলাদেশে দিবসটি পালিত হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে দ্রুত নগরায়ন, জনসংখ্যা বৃদ্ধি এবং ক্রমবর্ধমান আবাসন চাহিদার প্রেক্ষাপটে জাতিসংঘ ঘোষিত এবারের প্রতিপাদ্য ‘সবার জন্য পর্যাপ্ত আবাসন’ অত্যন্ত সময়োপযোগী ও তাৎপর্যপূর্ণ।

সবার জন্য নিরাপদ, সাশ্রয়ী, পরিবেশসম্মত ও মর্যাদাপূর্ণ আবাসন নিশ্চিত করা এবং পরিকল্পিত, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই নগরায়ন বর্তমান সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ লক্ষ্যে আবাসন, নগর পরিকল্পনা, নাগরিক সেবা, পরিবেশ সুরক্ষা ও জলবায়ু সহনশীলতাকে সমন্বিত করে দীর্ঘমেয়াদি নীতি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, নগর উন্নয়নের সমন্বিত উদ্যোগের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর নগর জীবন নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন নিশ্চিতকরণ ও সুষম নগর উন্নয়নকে বিশেষ অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, সব নাগরিকের জন্য পর্যাপ্ত, নিরাপদ ও সাশ্রয়ী বাসস্থান এবং এমন নগর ও বসতি নিশ্চিত করা প্রয়োজন— যেখানে মানুষ প্রয়োজনীয় নাগরিক সেবা, সুস্থ পরিবেশ ও মর্যাদাপূর্ণ জীবনযাপনের সুযোগ পায়। বিশ্ব বসতি দিবস আমাদের সেই দায়িত্বের কথাই স্মরণ করিয়ে দেয়।

তিনি বলেন, সর্বজনীন বাসস্থান নিশ্চিত করা এবং টেকসই নগরায়নের মাধ্যমে সবার জন্য বাসযোগ্য নগর গড়ে তোলা আজ আমাদের অন্যতম প্রধান অঙ্গীকার। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য শহর ও নগর দ্রুত সম্প্রসারিত হলেও অপরিকল্পিত নগরায়ন, যানজট, দূষণ, অপর্যাপ্ত নাগরিক সেবা, আবাসন সংকট এবং জলবায়ুজনিত অভিবাসন নগরজীবনে নানা চ্যালেঞ্জ সৃষ্টি করছে।

এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে সুষম আঞ্চলিক উন্নয়ন, পরিকল্পিত নগরায়ন এবং নিম্ন আয়ের পরিবার ও বস্তিবাসীদের জন্য সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করার সুস্পষ্ট অঙ্গীকার রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, বস্তিবাসী মানুষের দীর্ঘদিনের আবাসনের মালিকানা অর্জনের সুযোগ সৃষ্টি এবং সমন্বিত পানি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা গড়ে তোলার প্রতিশ্রুতিও এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

‘সবার জন্য বাসস্থান’কে শুধু একটি ঘরের নিশ্চয়তা হিসেবে নয়, বরং নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন, পরিচ্ছন্ন পরিবেশ ও প্রয়োজনীয় নাগরিক সেবার সমন্বিত নিশ্চয়তা হিসেবে বিবেচনা করছে সরকার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পরিকল্পিত নগরায়নের লক্ষ্যে দেশের প্রতিটি সিটি করপোরেশন ও জেলায় মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করা হচ্ছে।

তিনি বলেন, সিলেট, ময়মনসিংহ, বরিশাল, কুমিল্লা, রংপুর ও নারায়ণগঞ্জে উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ গঠনের মাধ্যমে পরিকল্পিত ও সুষম নগর উন্নয়নের প্রাতিষ্ঠানিক ভিত্তি আরও শক্তিশালী করা হচ্ছে। এসব উদ্যোগ নিরাপদ, অন্তর্ভুক্তিমূলক, জলবায়ু-সহনশীল ও টেকসই নগর গড়ে তুলতে এবং টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা-১১ অর্জনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, টেকসই আবাসন ও নগরায়ন নিশ্চিত করা শুধু সরকারের একার দায়িত্ব নয়।

এক্ষেত্রে বেসরকারি বিনিয়োগকারী, স্থানীয় জনগোষ্ঠী, এনজিও, সামাজিক স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সমন্বিত অংশগ্রহণ প্রয়োজন।

বিশেষ করে নিম্ন আয়ের মানুষের আবাসন, বস্তি উন্নয়ন, পানি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পরিবেশ সুরক্ষায় সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকার এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চায়, যেখানে নগর ও গ্রাম নির্বিশেষে প্রত্যেক মানুষ নিরাপদ ও সাশ্রয়ী আবাসন, প্রয়োজনীয় নাগরিক সেবা এবং সুস্থ, পরিচ্ছন্ন ও মর্যাদাপূর্ণ পরিবেশে বসবাসের সুযোগ পাবে।

পরিকল্পিত ও সুষম উন্নয়নের মাধ্যমে একটি মানবিক, বাসযোগ্য ও টেকসই বাংলাদেশ গড়ে তোলাই সরকারের লক্ষ্য উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বিশ্ব বসতি দিবস-২০২৬-এর সার্বিক সাফল্য কামনা করেন।

পরীক্ষার প্রশ্ন প্রণয়নে আসছে নতুন ব্যবস্থা

AP
প্রকাশিত: Sunday, 4 October, 2026, 7:40 pm
পরীক্ষার প্রশ্ন প্রণয়নে আসছে নতুন ব্যবস্থা

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, আগামীতে পরীক্ষার দুই সেট প্রশ্ন দুই জায়গায় করা হবে। বিজি প্রেস ও আর্মি সিকিউরিটি প্রেস থেকে করা হবে। গতকাল শনিবার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ঢাকাস্থ কচুয়া উপজেলা সমিতি আয়োজিত ‘কচুয়ার উন্নয়নে জনমনের ভাবনা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতাকালে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় তিনি পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন, ছাপা, বিতরণ নিয়ে কথা বলেন। খবর বাংলানিউজের।

তিনি বলেন, পরীক্ষা গ্রহণসংক্রান্ত কারণে শিক্ষার্থীদের জীবন থেকে যাতে সময় হারিয়ে না যায়, সে জন্য পরীক্ষা সময়মতো নেওয়া হবে এবং বর্ষাকালীন দুর্যোগও পরিহার করা হবে। তিনি বলেন, বাস্তবতার নিরিখেই পরীক্ষার খাতা পুনর্মূল্যায়নের পরিবর্তন আনা হয়েছে।

আমরা বাংলাদেশকে এডুকেশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ক্রস বর্ডার এডুকেশন সিস্টেম চালু করতে যাচ্ছি। যেসব বিদেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে পাঁচশোর মধ্যে রয়েছে, তাদের বাংলাদেশে শাখা খুলতে চাইলে অনুমোদন দিতে বিশ্ববিদ্যালয় আইন সংশোধন করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, নিম্নমানের বই সরবরাহের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, পাঠ্যবইয়ের মানের সঙ্গে কোনো আপস  হবে না।ইতোমধ্যে যেসব নিম্নমানের বই পাওয়া গেছে, সেগুলো বাতিল ও নষ্ট করা হয়েছে। নিম্নমানের বই সরবরাহের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হবে।

এহছানুল হক মিলন বলেন, পাঠ্যপুস্তক ছাপায় গুণগত মানে ন্যূনতম ছাড় দেওয়া হবে না। কাগজ, কালি, ছাপাখানা ইত্যাদি বিষয়ে কোনো কম্প্রোমাইজ করা হবে না। প্রধানমন্ত্রী চান দেশীয় মুদ্রণশিল্প গড়ে উঠুক, তাই এ বছর বিদেশি কোনো কোম্পানিকে মুদ্রণের কাজ দেওয়া হয়নি। আমরা পূর্বেও সময়মতো গুণগত মানের বই ছাপাতে পেরেছি, আশা করি আগামীতেও পারব।

মন্ত্রী আরও বলেন, মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণে ১৫০টি উপজেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড ডে মিল কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এই কর্মসূচি সারাদেশে বিস্তৃত করা হবে।

জাহাঙ্গীর আলম প্রধানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট নাজমুন নাহার বেবি বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া কচুয়ার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষাবিদ, কর্মকর্তা, শিক্ষক–শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় কচুয়ার কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়।