খুঁজুন
, ,

শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন নিয়ে বড় দাবি, স্বাগত জানাতে মাঠে নামবে ১২–১৪ কোটি মানুষ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: Sunday, 4 October, 2026, 5:17 pm
শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন নিয়ে বড় দাবি, স্বাগত জানাতে মাঠে নামবে ১২–১৪ কোটি মানুষ
 শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

আজকের সময়  নিউজের একটি জরিপের বরাত দিয়ে দাবি করা হয়েছে, শেখ হাসিনা ভারত থেকে দেশে ফেরার সময় কোনো ধরনের বাধা সৃষ্টি করা হলে এর পরিণতি ভয়াবহ হতে পারে।

প্রতিবেদনটিতে দাবি করা হয়েছে, শেখ হাসিনাকে দেশে স্বাগত জানাতে সারাদেশে বিপুলসংখ্যক মানুষ রাস্তায় নামতে পারে। জরিপের বরাত দিয়ে সেখানে ১২ থেকে ১৪ কোটি মানুষের অংশগ্রহণের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক সংগঠনের নেতাকর্মী এবং নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণের কথাও প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্ভাব্য এই স্বাগত কর্মসূচিকে ঘিরে দেশের বিভিন্ন স্থানে পোস্টার, ব্যানার ও ফেস্টুন প্রদর্শিত হতে পারে। এসব প্রচারণায় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের প্রতীক, জাতীয় পতাকার পটভূমি এবং শেখ হাসিনা ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি ব্যবহারের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

এদিকে, প্রতিবেদনে আরও দাবি করা হয়েছে যে, আগামী ডিসেম্বর শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে তাঁর প্রত্যাবর্তনের নির্দিষ্ট তারিখ, কর্মসূচির ধরন কিংবা কতসংখ্যক মানুষ এতে অংশ নেবে—এসব বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত তথ্য এই প্রতিবেদনে দেওয়া হয়নি।

ফলে ১২–১৪ কোটি মানুষের অংশগ্রহণ কিংবা প্রত্যাবর্তনের সময় কোনো বাধা সৃষ্টি হলে কী ধরনের পরিস্থিতি তৈরি হবে—এ ধরনের বক্তব্যকে আপাতত সংশ্লিষ্ট জরিপ ও প্রতিবেদনের দাবি হিসেবেই দেখা হচ্ছে। এ বিষয়ে নির্ভরযোগ্য ও স্বাধীন সূত্র থেকে নিশ্চিত তথ্য পাওয়া গেলে পরিস্থিতি আরও স্পষ্ট হবে।

পরীক্ষার প্রশ্ন প্রণয়নে আসছে নতুন ব্যবস্থা

AP
প্রকাশিত: Sunday, 4 October, 2026, 7:40 pm
পরীক্ষার প্রশ্ন প্রণয়নে আসছে নতুন ব্যবস্থা

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, আগামীতে পরীক্ষার দুই সেট প্রশ্ন দুই জায়গায় করা হবে। বিজি প্রেস ও আর্মি সিকিউরিটি প্রেস থেকে করা হবে। গতকাল শনিবার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ঢাকাস্থ কচুয়া উপজেলা সমিতি আয়োজিত ‘কচুয়ার উন্নয়নে জনমনের ভাবনা’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তৃতাকালে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় তিনি পাঠ্যপুস্তক প্রণয়ন, ছাপা, বিতরণ নিয়ে কথা বলেন। খবর বাংলানিউজের।

তিনি বলেন, পরীক্ষা গ্রহণসংক্রান্ত কারণে শিক্ষার্থীদের জীবন থেকে যাতে সময় হারিয়ে না যায়, সে জন্য পরীক্ষা সময়মতো নেওয়া হবে এবং বর্ষাকালীন দুর্যোগও পরিহার করা হবে। তিনি বলেন, বাস্তবতার নিরিখেই পরীক্ষার খাতা পুনর্মূল্যায়নের পরিবর্তন আনা হয়েছে।

আমরা বাংলাদেশকে এডুকেশন হাব হিসেবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ক্রস বর্ডার এডুকেশন সিস্টেম চালু করতে যাচ্ছি। যেসব বিদেশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান আন্তর্জাতিক মানদণ্ডে পাঁচশোর মধ্যে রয়েছে, তাদের বাংলাদেশে শাখা খুলতে চাইলে অনুমোদন দিতে বিশ্ববিদ্যালয় আইন সংশোধন করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, নিম্নমানের বই সরবরাহের সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হবে।

তিনি বলেন, পাঠ্যবইয়ের মানের সঙ্গে কোনো আপস  হবে না।ইতোমধ্যে যেসব নিম্নমানের বই পাওয়া গেছে, সেগুলো বাতিল ও নষ্ট করা হয়েছে। নিম্নমানের বই সরবরাহের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দেওয়া হবে।

এহছানুল হক মিলন বলেন, পাঠ্যপুস্তক ছাপায় গুণগত মানে ন্যূনতম ছাড় দেওয়া হবে না। কাগজ, কালি, ছাপাখানা ইত্যাদি বিষয়ে কোনো কম্প্রোমাইজ করা হবে না। প্রধানমন্ত্রী চান দেশীয় মুদ্রণশিল্প গড়ে উঠুক, তাই এ বছর বিদেশি কোনো কোম্পানিকে মুদ্রণের কাজ দেওয়া হয়নি। আমরা পূর্বেও সময়মতো গুণগত মানের বই ছাপাতে পেরেছি, আশা করি আগামীতেও পারব।

মন্ত্রী আরও বলেন, মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিতকরণে ১৫০টি উপজেলায় প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মিড ডে মিল কর্মসূচি চালু করা হয়েছে। ভবিষ্যতে এই কর্মসূচি সারাদেশে বিস্তৃত করা হবে।

জাহাঙ্গীর আলম প্রধানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং জাতীয়তাবাদী মহিলা দলের কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট নাজমুন নাহার বেবি বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। এ ছাড়া কচুয়ার বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, শিক্ষাবিদ, কর্মকর্তা, শিক্ষক–শিক্ষার্থীরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় কচুয়ার কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দেওয়া হয়।

রাজনীতি থেকে ক্রীড়াঙ্গন—চট্টগ্রামের পরিচিত মুখ আ জ ম নাছির উদ্দীন

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: Sunday, 4 October, 2026, 4:42 pm
রাজনীতি থেকে ক্রীড়াঙ্গন—চট্টগ্রামের পরিচিত মুখ আ জ ম নাছির উদ্দীন

চট্টগ্রামেই জন্ম ও বেড়ে ওঠা আবু জাহেদ মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন, যিনি আ জ ম নাছির উদ্দীন নামেই বেশি পরিচিত। তাঁর বাবা সৈয়দ মঈনুদ্দিন হোসাইন ছিলেন একজন শিক্ষানুরাগী এবং মা ফাতেমা জোহরা বেগম। ১৯৭৩ সালে চট্টগ্রাম সরকারি মুসলিম উচ্চ বিদ্যালয় থেকে মাধ্যমিক পাস করার পর তিনি চট্টগ্রাম কলেজে উচ্চ মাধ্যমিক পড়াশোনা করেন।

শিক্ষাজীবন থেকেই রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত হন নাছির উদ্দীন।

স্কুলে পড়ার সময় তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কর্মকাণ্ডে সক্রিয় হন এবং ১৯৬৯ সালের গণঅভ্যুত্থানের মিছিলেও অংশ নেন। ১৯৭৭ সালে তিনি চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পাশাপাশি নগর ছাত্রলীগের সাংস্কৃতিক সম্পাদকের দায়িত্ব পান। এরপর ১৯৮০ ও ১৯৮২ সালে চট্টগ্রাম নগর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৩ ও ১৯৮৫ সালে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সভাপতির দায়িত্বও পালন করেন।

পরবর্তীতে নাছির উদ্দীন চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে সক্রিয় হন। পরপর দুইবার নগর আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য নির্বাচিত হওয়ার পর ২০১৩ সালের নভেম্বরে চট্টগ্রাম মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মনোনীত হন।

২০১৫ সালের চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশন নির্বাচনে মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তিনি নির্বাচিত হন। ৩০ এপ্রিল নির্বাচনের পর ৭ মে ২০১৫ তিনি মেয়র হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন এবং চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের পঞ্চম মেয়র হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। তাঁর মেয়াদকাল ২০২০ সালের আগস্টে শেষ হয়।

রাজনীতির পাশাপাশি দীর্ঘদিন ধরে ক্রীড়াঙ্গনের সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন নাছির উদ্দীন। তিনি বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন এবং চট্টগ্রাম জেলা ক্রীড়া সংস্থার সাধারণ সম্পাদক হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সঙ্গেও তাঁর সম্পৃক্ততা ছিল।

চট্টগ্রামের একটি স্কুলের শিক্ষার্থী হিসেবে রাজনৈতিক মিছিলে অংশ নেওয়া থেকে শুরু করে চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগের নেতৃত্ব, মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব এবং শেষ পর্যন্ত চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের মেয়রের দায়িত্ব—আ জ ম নাছির উদ্দীনের পথচলায় চট্টগ্রামের রাজনীতি ও ক্রীড়াঙ্গনের দুটি অধ্যায়ই পাশাপাশি রয়েছে।

#Chittagong #Chattogram #চট্টগ্রাম #CTG #AJMNাসিরউদ্দীন
#আজমনাছিরউদ্দিন #History #ইতিহাস #BCB #BangladeshCricketBoard #ChittagongHistory #ProudChittagong

মেসির বিদায়, ‘বিশাল শূন্যতার’ শঙ্কা মার্তিনেজের

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: Sunday, 4 October, 2026, 2:41 pm
মেসির বিদায়, ‘বিশাল শূন্যতার’ শঙ্কা মার্তিনেজের

লিওনেল মেসি ও এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। ছবি: এএফপি

আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে লিওনেল মেসির সম্ভাব্য বিদায় নিয়ে কথা বলেছেন আর্জেন্টিনার বিশ্বজয়ী গোলরক্ষক এমিলিয়ানো মার্তিনেজ। ইন্টার মায়ামির এই মহাতারকা বুট জোড়া তুলে রাখলে আলবিসেলেস্তে দলে এক ‘বিশাল শূন্যতা’ তৈরি হবে বলে স্বীকার করে নিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে অধিনায়কের কাঙ্ক্ষিত বিশ্বকাপ জয়ে অবদান রাখতে পেরে গর্ব প্রকাশ করেছেন চেলসির এই গোলরক্ষক।

শনিবার (৪ অক্টোবর) রাতে এস্তাদিও মনুমেন্তালে বুরকিনা ফাসোকে ৭-০ গোলে গুঁড়িয়ে দেওয়ার পরই মেসির বিদায় নিয়ে আলোচনায় মুখর হন মার্তিনেজ। ২০২২ সালে কাতারে আর্জেন্টিনা অধিনায়কের শিরোপা জয়ের স্বপ্নপূরণে পাশে থাকতে পারাকে নিজের ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা অর্জন বলে মনে করেন তিনি।

ইএসপিএন আর্জেন্টিনাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মার্তিনেজ বলেন, আমি যতটা সম্ভব সাহায্য করার চেষ্টা করেছি, আর সেটা উনিও ভালোভাবেই জানেন। আমরা এ নিয়ে প্রায়ই কথা বলি। সর্বকালের সেরা ফুটবলারের সবচেয়ে বড় স্বপ্নপূরণে ভূমিকা রাখতে পারা আমার ক্যারিয়ারের সেরা প্রাপ্তিগুলোর একটি।

 

মেসি-পরবর্তী যুগের কঠিন বাস্তবতা ইতোমধ্যেই ফুটে উঠতে শুরু করেছে আর্জেন্টিনা দলে। অধিনায়কের বিদায়ের বিশাল ধাক্কা স্বীকার করে নিয়ে মার্তিনেজ বলেন, তিনি দল থেকে চলে গেলে এক বিশাল শূন্যতা তৈরি হবে, তবে আমাদের নতুনদের মধ্যে মান মানিয়ে নেওয়ার মতো ব্যক্তিত্ব রয়েছে।

 

আগামী ৬ অক্টোবর বেনিনের বিপক্ষে মেসির সম্ভাব্য বিদায়ী ম্যাচ নিয়ে আবেগপ্রবণ এই শট-স্টপার। তিনি যোগ করেন, আমি এই অনন্য মুহূর্তগুলোর অংশ হতে পেরে গর্বিত। মঙ্গলবারের ম্যাচে তাকে হাসিমুখে দেখতে চাই এবং ম্যাচটি উপভোগ করতে চাই। একসঙ্গে কাটানোর যে অল্প সময় বাকি আছে, আমরা তা স্মরণীয় করে রাখতে চাই।

পোস্টের নিচে নিজের কার্যকারিতাও নতুন করে জানান দিয়েছেন মার্তিনেজ। জাতীয় দলের হয়ে ৬৯ ম্যাচে এটি ছিল তাঁর ৪৫তম ক্লিনশিট। তরুণের অভিষেকের প্রশংসা করে মার্তিনেজ বলেন, গোল না খাওয়া সবসময়ই গুরুত্বপূর্ণ। নিজের খেলায় ধার বজায় রাখতে এটি আমাকে সাহায্য করে। জাতীয় দলের জার্সিতে নতুনদের পারফর্ম করতে দেখা আনন্দের।

কোচ লিওনেল স্কালোনের নিখুঁত মানদণ্ড নিয়ে বলতে গিয়ে তিনি বলেন, নতুনরা দ্রুত দলে মানিয়ে নিচ্ছে। স্কালোনি এমনি এমনি কাউকেই সুযোগ দেন না। যারা অনুশীলনে নিজেদের প্রমাণ করে, তাদেরই সুযোগ দেন। জাতীয় দলের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নেওয়ার সব কৃতিত্ব তরুণদেরই প্রাপ্য।

২০২৬ বিশ্বকাপের ফাইনালে স্পেনের কাছে হেরে খেতাব ধরে রাখতে না পারার চরম মানসিক কষ্টের কথাও প্রকাশ করেছেন মার্তিনেজ। বিশ্বকাপ ফাইনাল হারের কষ্ট কাটিয়ে ওঠা আমার জন্য অত্যন্ত কঠিন ছিল। সেই যন্ত্রণা অনেকদিন তাড়িয়ে বেরিয়েছে। মানসিকভাবে নতুন করে শুরু করতে ক্লাবে ফেরাটাই আমাকে সাহায্য করেছে।

তবে জাতীয় দলের বর্তমান আবহাওয়ায় ফের নতুন শক্তি খুঁজে পেয়েছেন মার্তিনেজ। তিনি বলেন, এখন এখানে এসে নিজেকে বেশ ফুরফুরে মনে হচ্ছে- আমি দারুণ খুশি ও শক্তিতে পরিপূর্ণ।

বুরকিনা ফাসোর বিপক্ষে বিশাল জয়ের পর এখন পুরো আর্জেন্টিনার নজর এস্তাদিও মনুমেন্তালে হতে যাওয়া বেনিনের বিপক্ষে মেসির সম্ভাব্য বিদায়ি ম্যাচের দিকে।

সূত্র: গোলডটকম।