খুঁজুন
, ,

লায়ন আলহাজ্ব সালাউদ্দীন আলীর এশিয়া গ্রেটেস্ট ব্র্যান্ড এন্ড লিডার অ্যাওয়ার্ড অর্জন

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Tuesday, 11 July, 2023, 11:42 am
লায়ন আলহাজ্ব সালাউদ্দীন আলীর এশিয়া গ্রেটেস্ট ব্র্যান্ড এন্ড লিডার অ্যাওয়ার্ড অর্জন

বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে কোভিড কালিন সময়ে বিশেষ অবদান এবং স্বাস্থ্য খাতে সাফল্য অর্জন করায় দুবাই গ্রেটেস্ট ব্র্যান্ড এন্ড লিডার অ্যাওয়ার্ড ২০২৩ অর্জন করেছেন চট্টগ্রাম হাটহাজারী উপজেলার কৃতি সন্তান, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও সফল তরুণ উদ্যোক্তা, এশিয়ান স্পেশালাইজ হসপিটালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক লায়ন আলহাজ্ব সালাউদ্দীন আলী সহ আরো পাঁচটি প্রতিষ্ঠান।

১০ জুলাই সোমবার সন্ধ্যায় দুবাইয়ের জো – মেরিয়ট- মারকিউস হোটেলে এশিয়া ও আফ্রিকার প্রায় শতাধিক লিডারশীপের হাতে এ পুরস্কার তুলে দেয়া হয়। বিভিন্ন ক্যাটাগরীতে অবদানের স্বীকৃতি স্বরুপ স্বাস্থ্য সেবা -কোভিট ১৯ প্রতিরোধ ব্যবস্থা, গৃহায়ন-বিদ্যুৎ, ব্যাংকিং সেক্টর ও কন্সূলার সেবা কার্যক্রমে সক্ষমতার কারণে এ আয়োজনে বাংলাদেশ পাঁচটি এ্যাওয়ার্ড অর্জন করেন।

বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন সেক্টরে অবদান রাখার স্বীকৃতি স্বরূপ প্রতি বছর গ্রেটেস্ট ব্র্যান্ড এন্ড লিডার এ্যাওয়ার্ড প্রদান করে থাকেন আন্তর্জাতিক অর্গানাইজেশন এশিয়া, আমেরিকা, আফ্রিকা বিজনেস এন্ড সোশ্যাল ফোরাম ও ইউ আর এস মিডিয়া এন্ড এশিয়া ওয়ান নামের একটি অর্গানাইজেশন ।মূলত তারা বিভিন্ন দেশের সফল ব্যক্তিদের বিশেষায়িত এ্যওয়ার্ড প্রদান করে থাকেন। গত ১০ জুলাই সোমবার সন্ধ্যায় দুবাইয়ে জো মেরিয়ট মার্কিউস হোটেলে এই সংগঠনের ২০ তম ইভেন্টের আয়োজন ছিল। বিশ্বের প্রায় পাঁচ শতাধিক আমন্ত্রিত অতিথিদের উপস্থিতিতে এ আয়োজনে শতাধিক লিডারশীপের হাতে সফলতা ও মানবিকতার স্বীকৃতি স্বরূপ তুলে দেয়া হয় লিডারশীপ এ্যাওয়ার্ড।বাংলাদেশের ৫ টি প্রতিষ্ঠান এ আয়োজনে ৫ টি এ্যাওয়ার্ড এবার ঘরে তুলেছেন।

এই ইভেন্টে দুবাইস্থ বাংলাদেশ কন্সূলেটে কন্সূলার সেবার জন্য কনসাল জেনারেল বিএম জামাল হোসেন, বাংলাদেশের কোভিড কালীন সময়ে বিশেষ অবদান ও হেলথ সেক্টরে সফলতা অর্জন করায় চট্টগ্রাম এশিয়ান স্পেশালাইজ হসপিটালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলহাজ্ব সালাউদ্দীন আলী,ব্যাংকিং খাতে সফলতা অর্জন করায় প্রিমিয়ার ব্যাংকের চেয়ারম্যান ডক্টর এইচ, বি, এম ইকবাল, মার্কেন্টাইল ব্যাংকের গ্রুপ ক্যাপ্টেন আবু জাফর চৌধুরী, বিদ্যুৎ ও গৃহায়নে অবদানের জন্য হোসাফ গ্রুপের চেয়ারম্যান মোয়াজ্জেম হোসেনকে লিডারশীপ এ্যাওয়ার্ডে ভূষিত করা হয় ।

সফল ব্যক্তিদের ছাড়াও ইউ এ ইতে দায়িত্বরত ৫০ টি দেশের কুটনৈতিক বিভিন্ন দেশের তারকা খেলোয়াড়, তারকা শিল্পী,সিনে তারকাদের এ ইভেন্টে এ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়।অনুষ্ঠানে বিশ্বের নামিদামি ব্যক্তিদের সাথে আমিরাতের রয়েল ফ্যামিলির সদস্যরাও উপস্থিত ছিলেন।এ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানের ফাঁকে বরণ্য ব্যক্তিরা তাদের সফলতার গল্প তুলে ধরণের উপস্থিত সুধীজনদের সামনে।

তরুণরা দেশের সম্পদ, এটি সর্বজনস্বীকৃত। কিন্তু বেশির ভাগ শিক্ষিত তরুণ যখন চাকরি নামে সোনার হরিণের পেছনে ছুটতে গিয়ে একটা সময় নিজেকে বেকার তালিকায় নাম লেখায়, তখন তারা সম্পদে রূপান্তর না হয়ে দেশের বোঝা হয়ে দাঁড়ায়। এই সঙ্কটময় সময় অকুতোভয় এক তরুণ চাকরির পেছনে না ছুটে চাকরি দেয়ার পণ করে বসে। বলছিলাম দূরদর্শী সফল তরুণ উদ্যোক্তা এশিয়ান স্পেশালাইজ হসপিটালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক লায়ন আলহাজ্ব সালাউদ্দীন আলীর কথা।

লেখাপড়ার পাশাপাশি নিজেকে যুক্ত করেন স্বাস্থ্যসেবা ব্যবসায়, সেই থেকে শুরু আর পিছনে তাকাতেই হয়নি এই তরুণকে। যদিও শুরুটা অনেক সমস্যায় পড়তে হয়েছিল তাকে।

লায়ন আলহাজ্ব সালাউদ্দিন আলী বলেন, ‘বর্তমানে বাংলাদেশ ও দেশের বাইরে বেশ কিছু প্রজেক্টের একযোগে কাজ চলছে। তিনি আরো বলেন, আমি ও আমাদের প্রতিষ্ঠান সর্বোচ্চ সেবা ও মেধা দিয়ে গুণগত মান ও সুনাম অক্ষুণ রেখে সফলভাবে এগিয়ে চলার প্রচেষ্টা অব্যাহত রেখেছে।

তরুণদের উদ্যোক্তা হিসেবে তৈরি করতে এবং দেশের মানুষের স্বাস্থ্য সেবার চাহিদা পূরণে কাজ করে যেতে চাই । এ চাহিদা মেটাতে পারলে দেশের স্বাস্থ্য ও অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব। নিজস্ব উদ্যোক্তা ছাড়া এ চাহিদার জোগান দেয়া সম্ভব নয়। বেকারত্ব বাংলাদেশের অনেক বড় সমস্যা। উদ্যোক্তা তৈরি করা ছাড়া এ বিশাল জনগোষ্ঠীর কর্মসংস্থান সম্ভব নয়। উদ্যোক্তারা বিদ্যমান সমস্যার সমাধানে নতুন ও সহজ সমাধানে পারদর্শী। উদ্যোক্তারাই পারবে এ বিশাল জনগোষ্ঠীকে জনসম্পদে রূপান্তর করে আগামীর অর্থনৈতিক ভিত গড়ে দিতে। বাংলাদেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিশ্ব অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখতে চাইলে উদ্যোক্তা তৈরির বিকল্প নেই। আগামীর বাংলাদেশ তরুণ উদ্যোক্তাদের ওপর নির্ভরশীল। তাই দেশ ও জাতির উন্নয়নে তার এ ক্ষুদ্র প্রয়াস। লায়ন আলহাজ্ব সালাউদ্দিন আলী সব সময়ই আশাবাদী এক স্বপ্নবাজ, তার স্বপ্নগুলো বাস্তবায়নে আমরণ কঠোর পরিশ্রমে বিশ্বাসী তিনি। বর্তমানে তার প্রতিষ্ঠানে ২০০ জনের অধিক জনবল কাজ করেন।

জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ২০ টাকা বাড়ল, কার্যকর সোমবার থেকে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: Monday, 21 September, 2026, 12:15 pm
জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ২০ টাকা বাড়ল, কার্যকর সোমবার থেকে

দেশে ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রোল ও অকটেনের খুচরা বিক্রয়মূল্য লিটারপ্রতি ২০ টাকা করে বাড়িয়েছে সরকার। নতুন নির্ধারিত মূল্য সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) থেকে কার্যকর হয়েছে। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে।

 

নতুন মূল্য অনুযায়ী, প্রতি লিটার ডিজেল ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৫৫ টাকা, পেট্রোল ১৬০ টাকা এবং অকটেন ১৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এর আগে এসব জ্বালানির দাম ছিল যথাক্রমে ১১৫, ১৩৫, ১৪০ ও ১৪৫ টাকা।

 

আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাবে মূল্য সমন্বয়

 

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে গত মার্চ থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ও পরিবহন ব্যয় বেড়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্য দ্বিগুণের বেশি বাড়লেও জনস্বার্থ বিবেচনায় দেশে একই হারে দাম সমন্বয় করা হয়নি বলে জানিয়েছে বিভাগটি।

 

প্রজ্ঞাপনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) লোকসানের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২২ হাজার ৮৭৫ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। সে সময় আন্তর্জাতিক বাজারের দরে প্রতি লিটার ডিজেল বিক্রিতে বিপিসির লোকসান হচ্ছিল প্রায় ৮৯ টাকা। এতে দৈনিক লোকসান প্রায় ১০৯ কোটি টাকায় পৌঁছাতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

জ্বালানি বিভাগের হিসাব বলছে, নতুন মূল্য সমন্বয়ের ফলে বিপিসির বার্ষিক লোকসান প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা কমানো সম্ভব হতে পারে।

 

পরিবহন ও নিত্যপণ্যের বাজারে প্রভাবের শঙ্কা

 

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে পরিবহন, কৃষি, সেচ এবং পণ্য পরিবহনের ব্যয় বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এর প্রভাব নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারেও পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

তবে নতুন দাম কার্যকরের পর পরিবহন ভাড়া কিংবা পণ্যমূল্য কতটা বাড়বে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

 

নতুন দাম একনজরে

 

– ডিজেল: ১৩৫ টাকা প্রতি লিটার

– কেরোসিন: ১৫৫ টাকা প্রতি লিটার

– পেট্রোল: ১৬০ টাকা প্রতি লিটার

– অকটেন: ১৬৫ টাকা প্রতি লিটার

ইতি।

অপ্রতীম হত্যা: আদালতে দায় স্বীকার তিন আসামির, কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: Monday, 21 September, 2026, 12:03 pm
অপ্রতীম হত্যা: আদালতে দায় স্বীকার তিন আসামির, কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

কুমিল্লায় ১৩ বছর বয়সী স্কুলশিক্ষার্থী ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতীম হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার চার আসামির মধ্যে তিনজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় তাঁদের জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।

 

আদালতসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জবানবন্দি দেওয়া তিন আসামি হলেন সাইফুল ইসলাম ওরফে তুহিন, মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ ও কামরুল হাসান। মামলার অপর আসামি মো. সিয়াম জবানবন্দি দেননি বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। জবানবন্দি গ্রহণের পর আসামিদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। তাঁদের মধ্যে অপ্রাপ্তবয়স্ক আসামিদের ক্ষেত্রে শিশু আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টিও রয়েছে।

 

আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে হত্যার অভিযোগ

 

পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে, অপ্রতীমের মায়ের ব্যবহৃত আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে তাকে লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার নির্জন জঙ্গলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ফোনটি নেওয়ার সময় বাধা দিলে তার মাথায় বাঁশের লাঠি দিয়ে আঘাত করা হয়। এতে তার মৃত্যু হয় বলে পুলিশের দাবি।

 

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, নিখোঁজের পর সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে সাইফুল ইসলাম ওরফে তুহিনকে শনাক্ত করা হয়। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদে আরও দুজনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায় বলে জানিয়েছে পুলিশ। তুহিনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অপ্রতীমের ব্যবহৃত আইফোনটি তার বাসার খাটের তোশকের নিচ থেকে উদ্ধার করা হয়।

 

যেভাবে উদ্ধার হয় অপ্রতীমের মরদেহ

 

গত শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকার গন্ধমতীতে ভাড়া বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয় অপ্রতীম। পরদিন শনিবার দুপুরে সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর ইউনিয়নের সানন্দা গ্রামের লালমাই পাহাড়সংলগ্ন একটি নির্জন জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

 

অপ্রতীম কুমিল্লা বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার এ ঘটনায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

তদন্ত অব্যাহত

পুলিশ জানিয়েছে, মামলার তদন্ত এখনো চলমান। আদালতে দেওয়া জবানবন্দি, উদ্ধার করা আলামত এবং অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ যাচাই করা হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডে আর কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ইতি/

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তান থাকলে সরকারি চাকরিজীবীরা পাবেন মাসে ৩ হাজার টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: Saturday, 19 September, 2026, 6:23 pm
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তান থাকলে সরকারি চাকরিজীবীরা পাবেন মাসে ৩ হাজার টাকা

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন বা প্রতিবন্ধী সন্তান থাকা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য মাসিক আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা করা হয়েছে নতুন বেতনকাঠামোয়। নতুন বিধান অনুযায়ী, একজন সরকারি চাকরিজীবী সর্বোচ্চ দুই সন্তানের জন্য প্রতি মাসে ৩ হাজার টাকা করে ভাতা পাবেন।

 

অর্থাৎ, কোনো সরকারি চাকরিজীবীর দুই সন্তান বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন হলে তিনি মাসে সর্বোচ্চ ৬ হাজার টাকা ভাতা পাওয়ার সুযোগ পাবেন। তবে দুইয়ের বেশি সন্তান থাকলেও ভাতা দেওয়া হবে সর্বোচ্চ দুই সন্তানের জন্য।

 

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত সরকারি বেতনকাঠামোসংক্রান্ত গেজেটে এ সুবিধার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানের ক্ষেত্রে এ ধরনের ভাতা চালুর উদ্যোগ এবারই প্রথম।

 

গেজেটের বিধান অনুযায়ী, একই সন্তানের জন্য একাধিক সরকারি ভাতা একসঙ্গে নেওয়ার সুযোগ থাকবে না। ভাতার অর্থ বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানের মা অথবা বাবার ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হবে। চাকরিতে থাকা অবস্থায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এ সুবিধা পাওয়ার সুযোগ রাখবেন।

 

নতুন বেতনকাঠামোর আওতায় প্রায় ২৪ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং প্রায় ৯ লাখের বেশি পেনশনভোগী সুবিধা পাওয়ার কথা রয়েছে। তবে সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তান রয়েছে—এমন পরিবারের সঠিক সংখ্যা এখনো নির্ধারিত হয়নি।

 

এ সংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার জন্য সরকারের সমন্বিত বাজেট ও হিসাব ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার (আইবাস++)-এ প্রয়োজনীয় তথ্য যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

 

ভাতা দেওয়ার আগে সন্তানের প্রতিবন্ধিতা বা বিশেষ চাহিদার বিষয়টি যাচাই করা হবে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা কর্মচারী যে মন্ত্রণালয় বা দপ্তরে কর্মরত, সেখান থেকেই প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই-বাছাই করা হবে।

 

দীর্ঘদিন ধরে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তান থাকা সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য আর্থিক সহায়তার দাবি জানানো হচ্ছিল। নতুন এ সুবিধার মাধ্যমে এসব পরিবারের চিকিৎসা, শিক্ষা, থেরাপি ও পরিচর্যার ব্যয়ে কিছুটা সহায়তা মিলবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

 

তবে ভাতা পেতে কী ধরনের সনদ প্রয়োজন হবে, যোগ্যতা যাচাইয়ের সুনির্দিষ্ট শর্ত কী এবং কীভাবে আবেদন করতে হবে—এসব বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের বিধি ও পরবর্তী প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে।

ইতি/