খুঁজুন
, ,

বেগম খালেদা জিয়ার জম্মদিনে পটিয়া উপজেলা বিএনপির দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 16 August, 2023, 2:23 pm
বেগম খালেদা জিয়ার জম্মদিনে পটিয়া উপজেলা বিএনপির দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত

বিএনপি চেয়ারপার্সন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার ৭৮তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে এবং তাঁর রোগমুক্তি ও সুস্থতা কামনা করে পটিয়া উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপির উদ্যোগে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ (১৬ই আগষ্ট) বুধবার বাদে আছর মিলাদ ও দোয়া মাহফিল পটিয়া পৌরসভা বিএনপির আহ্বায়ক নুরুল ইসলাম সওদাগরের সভাপতিত্বে ও উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব খোরশেদ আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথি ছিলেন চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু সুফিয়ান, প্রধান বক্তা ছিলেন জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব এনামুল হক এনাম।

দোয়া মাহফিলে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আশু রোগমুক্তি, দীর্ঘায়ু জীবন কামনা, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান, মরহুম আরাফাত রহমান কোকো ও দেশে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার আন্দোলনে জীবন দানকারী শহীদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করা হয়।

দোয়া মাহফিল পুর্ব সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি আবু সুফিয়ান বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া বাংলাদেশের একজন জনপ্রিয় নেত্রী। আজীবন গণতন্ত্রের জন্য আপোষহীন সংগ্রাম করা এই মহিয়সী নারীকে এই সরকার অন্যায় ভাবে দীর্ঘদীন ধরে বন্দী রেখে মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছেন। দেশের তিন বারের সাবেক সফল প্রধানমন্ত্রী ৭৮ বছর বয়সী বেগম খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জটিল রোগে আক্রান্ত হয়ে বর্তমানে পঙ্গুত্ব বরণ করার পরও সরকার তার উন্নত চিকিৎসার জন্য কোন ধরনের সহযোগিতা করেনি। একজন বয়োজ্যেষ্ঠ সম্মানিত নারীর প্রতি আওয়ামীলীগ সরকারের অমানবিক আচরণ লজ্জাজনক। অবিলম্বে বাংলাদেশের জনপ্রিয় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে নিঃস্বর্ত মুক্তি দাবী করছি।

প্রধান বক্তা এনামুল হক এনাম বলেন, “দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া” এ দেশের গণতান্ত্রকামী জনতার মূর্তপ্রতীক। তাঁর আকাশচুম্বী জনপ্রিয়তাতে সরকার ভয় পাই। আওয়ামীলীগ সরকার অবৈধ ভাবে রাষ্ট্র ক্ষমতাকে কুক্ষিগত করে রেখে পুরো দেশটাকে লুটেপুটে খেয়েছে। তাদের এই অন্যায় অবিচারের বিরুদ্ধে জনগণ ফুঁসে উঠেছে। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কোন অন্যায়ের কাছে আপোষ করেননি। দেশের জনগনই দেশনায়ক জনাব তারেক রহমান এর নেতৃত্বে একদফা আন্দোলনের মাধ্যমে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে অচিরেই মুক্ত করবে ইনশাআল্লাহ।

দোয়া মাহফিলে আরো উপস্থিত ছিলেন পৌরসভা বিএনপির সদস্য সচিব গাজী আবু তাহের, উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মফজল আহমদ চৌধুরী, পৌরসভা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আলহাজ্ব আবুল ফয়েজ, উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সম্পাদক মনির আহমদ সেলিম, মঈনুল আলম ছোটন, সাইফুদ্দীন আহমেদ, হাজী কামাল উদ্দীন, পৌরসভা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক আবদুল মাবুদ, উপজেলা ও পৌরসভা বিএনপি নেতা – হারুনুর রশীদ চৌধুরী, খলিলুর রহমান বাবু (চেয়ারম্যান), হাজী ইব্রাহিম সওদাগর, মাহবুব রহমান (চেয়ারম্যান), মাহবুব রহমান, আবদুর রহিম, শরীফ উদ্দীন চৌধুরী, আবদুল আলম মেম্বার, হাজী আবদুল মন্নান তালুকদার, মনজুর আলম মনজু, বোরহান উদ্দিন, মফিজুর রহমান, হাজী আবদুল মন্নান, এসএম হাবিব উল্লাহ, সেলিম সিকদার, এডভোকেট আবদুস সবুর, আহমদ কবির চৌধুরী, আবদুল ওহাব মুন্সি, মোঃ জাকারিয়া, বুুলবুল আহমেদ নান্নু, নাজিম উদ্দীন, মোঃ ইব্রাহিম, আবছার উদ্দীন, মিজানুর রহমান, জেলা যুবদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি – মোঃ শাহজাহান চৌধুরী, জেলা যুবদল নেতা – হামিদুর রহমান পিয়ারু, আল রায়হান সোহেল, নুরুল আলম, সিরাজুল ইসলাম তারেক, গাজী নজরুল ইসলাম, জেলা ছাত্রদলের আহ্বায়াক রবিউল হোসেন রবি, সদস্য সচিব কামরু উদ্দীন সবুজ, যুগ্ম আহ্বায়ক এস এম নয়ন, শাহাদাত হোসেন, রেজাউল করিম মিজান, জেলা কৃষক দলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মীর জাকের, জেলা জাসাস সভাপতি নাসির উদ্দীন, উপজেলা যুবদল নেতা – ইয়াসির আরাফাত ইয়াসিন, অহিদুল আলম চৌধুরী পিবলু, পৌরসভা যুবদল নেতা – হাবিবুর রহমান রিপন, এস এম রেজা রিপন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক ওবায়দুল হক রিকু, সদস্য সচিব মোহাম্মদ জাহেদ, পৌরসভা স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আবদুল কাদের, উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি শাখাওয়াত হোসেন সাধারণ সম্পাদক আবু নোমান চৌধুরী লিটন, জেলা কৃষক দল নেতা ইউসুফ শাহ, শাহাদাত হোসেন পারভেজ, যুবদল নেতা ইকবাল সিকদার সুমন, মোহাম্মদ ইসমাইল, নাসির হাজারী, মোহাম্মদ সোলাইমান, গাজী দুলাল, মহিউদ্দিন ফারুক টিংকু, জালাল উদ্দীন ছোটন, মোজাম্মেল হক, আবদু ছবুর, আলমগীর, আবু তাহের, আবদুল আজিজ, মানিক, স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা মিজানুর রহমান মায়া, ওমর ফারুক সানি, শফিকুল ইসলাম শফি,
ছাত্রদল নেতা রবিউল হাসান সৌরভ, আলী হোসেন, মোহাম্মদ হাবিব, সেকান্দর হোসেন ডেভিড, মাঈনুদ্দীন হাসান শাকিল, মোহাম্মদ ফারুক, হাসান সিকদার, জুলফিকার, মোঃ কায়সার, মুন্না, রমজান, শাহীন, শিবলু, আবদুর রহিম প্রমূখ।

জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ২০ টাকা বাড়ল, কার্যকর সোমবার থেকে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: Monday, 21 September, 2026, 12:15 pm
জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ২০ টাকা বাড়ল, কার্যকর সোমবার থেকে

দেশে ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রোল ও অকটেনের খুচরা বিক্রয়মূল্য লিটারপ্রতি ২০ টাকা করে বাড়িয়েছে সরকার। নতুন নির্ধারিত মূল্য সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) থেকে কার্যকর হয়েছে। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে।

 

নতুন মূল্য অনুযায়ী, প্রতি লিটার ডিজেল ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৫৫ টাকা, পেট্রোল ১৬০ টাকা এবং অকটেন ১৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এর আগে এসব জ্বালানির দাম ছিল যথাক্রমে ১১৫, ১৩৫, ১৪০ ও ১৪৫ টাকা।

 

আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাবে মূল্য সমন্বয়

 

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে গত মার্চ থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ও পরিবহন ব্যয় বেড়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্য দ্বিগুণের বেশি বাড়লেও জনস্বার্থ বিবেচনায় দেশে একই হারে দাম সমন্বয় করা হয়নি বলে জানিয়েছে বিভাগটি।

 

প্রজ্ঞাপনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) লোকসানের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২২ হাজার ৮৭৫ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। সে সময় আন্তর্জাতিক বাজারের দরে প্রতি লিটার ডিজেল বিক্রিতে বিপিসির লোকসান হচ্ছিল প্রায় ৮৯ টাকা। এতে দৈনিক লোকসান প্রায় ১০৯ কোটি টাকায় পৌঁছাতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

জ্বালানি বিভাগের হিসাব বলছে, নতুন মূল্য সমন্বয়ের ফলে বিপিসির বার্ষিক লোকসান প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা কমানো সম্ভব হতে পারে।

 

পরিবহন ও নিত্যপণ্যের বাজারে প্রভাবের শঙ্কা

 

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে পরিবহন, কৃষি, সেচ এবং পণ্য পরিবহনের ব্যয় বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এর প্রভাব নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারেও পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

তবে নতুন দাম কার্যকরের পর পরিবহন ভাড়া কিংবা পণ্যমূল্য কতটা বাড়বে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

 

নতুন দাম একনজরে

 

– ডিজেল: ১৩৫ টাকা প্রতি লিটার

– কেরোসিন: ১৫৫ টাকা প্রতি লিটার

– পেট্রোল: ১৬০ টাকা প্রতি লিটার

– অকটেন: ১৬৫ টাকা প্রতি লিটার

ইতি।

অপ্রতীম হত্যা: আদালতে দায় স্বীকার তিন আসামির, কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: Monday, 21 September, 2026, 12:03 pm
অপ্রতীম হত্যা: আদালতে দায় স্বীকার তিন আসামির, কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

কুমিল্লায় ১৩ বছর বয়সী স্কুলশিক্ষার্থী ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতীম হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার চার আসামির মধ্যে তিনজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় তাঁদের জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।

 

আদালতসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জবানবন্দি দেওয়া তিন আসামি হলেন সাইফুল ইসলাম ওরফে তুহিন, মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ ও কামরুল হাসান। মামলার অপর আসামি মো. সিয়াম জবানবন্দি দেননি বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। জবানবন্দি গ্রহণের পর আসামিদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। তাঁদের মধ্যে অপ্রাপ্তবয়স্ক আসামিদের ক্ষেত্রে শিশু আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টিও রয়েছে।

 

আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে হত্যার অভিযোগ

 

পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে, অপ্রতীমের মায়ের ব্যবহৃত আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে তাকে লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার নির্জন জঙ্গলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ফোনটি নেওয়ার সময় বাধা দিলে তার মাথায় বাঁশের লাঠি দিয়ে আঘাত করা হয়। এতে তার মৃত্যু হয় বলে পুলিশের দাবি।

 

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, নিখোঁজের পর সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে সাইফুল ইসলাম ওরফে তুহিনকে শনাক্ত করা হয়। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদে আরও দুজনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায় বলে জানিয়েছে পুলিশ। তুহিনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অপ্রতীমের ব্যবহৃত আইফোনটি তার বাসার খাটের তোশকের নিচ থেকে উদ্ধার করা হয়।

 

যেভাবে উদ্ধার হয় অপ্রতীমের মরদেহ

 

গত শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকার গন্ধমতীতে ভাড়া বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয় অপ্রতীম। পরদিন শনিবার দুপুরে সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর ইউনিয়নের সানন্দা গ্রামের লালমাই পাহাড়সংলগ্ন একটি নির্জন জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

 

অপ্রতীম কুমিল্লা বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার এ ঘটনায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

তদন্ত অব্যাহত

পুলিশ জানিয়েছে, মামলার তদন্ত এখনো চলমান। আদালতে দেওয়া জবানবন্দি, উদ্ধার করা আলামত এবং অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ যাচাই করা হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডে আর কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ইতি/

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তান থাকলে সরকারি চাকরিজীবীরা পাবেন মাসে ৩ হাজার টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: Saturday, 19 September, 2026, 6:23 pm
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তান থাকলে সরকারি চাকরিজীবীরা পাবেন মাসে ৩ হাজার টাকা

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন বা প্রতিবন্ধী সন্তান থাকা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য মাসিক আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা করা হয়েছে নতুন বেতনকাঠামোয়। নতুন বিধান অনুযায়ী, একজন সরকারি চাকরিজীবী সর্বোচ্চ দুই সন্তানের জন্য প্রতি মাসে ৩ হাজার টাকা করে ভাতা পাবেন।

 

অর্থাৎ, কোনো সরকারি চাকরিজীবীর দুই সন্তান বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন হলে তিনি মাসে সর্বোচ্চ ৬ হাজার টাকা ভাতা পাওয়ার সুযোগ পাবেন। তবে দুইয়ের বেশি সন্তান থাকলেও ভাতা দেওয়া হবে সর্বোচ্চ দুই সন্তানের জন্য।

 

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত সরকারি বেতনকাঠামোসংক্রান্ত গেজেটে এ সুবিধার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানের ক্ষেত্রে এ ধরনের ভাতা চালুর উদ্যোগ এবারই প্রথম।

 

গেজেটের বিধান অনুযায়ী, একই সন্তানের জন্য একাধিক সরকারি ভাতা একসঙ্গে নেওয়ার সুযোগ থাকবে না। ভাতার অর্থ বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানের মা অথবা বাবার ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হবে। চাকরিতে থাকা অবস্থায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এ সুবিধা পাওয়ার সুযোগ রাখবেন।

 

নতুন বেতনকাঠামোর আওতায় প্রায় ২৪ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং প্রায় ৯ লাখের বেশি পেনশনভোগী সুবিধা পাওয়ার কথা রয়েছে। তবে সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তান রয়েছে—এমন পরিবারের সঠিক সংখ্যা এখনো নির্ধারিত হয়নি।

 

এ সংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার জন্য সরকারের সমন্বিত বাজেট ও হিসাব ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার (আইবাস++)-এ প্রয়োজনীয় তথ্য যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

 

ভাতা দেওয়ার আগে সন্তানের প্রতিবন্ধিতা বা বিশেষ চাহিদার বিষয়টি যাচাই করা হবে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা কর্মচারী যে মন্ত্রণালয় বা দপ্তরে কর্মরত, সেখান থেকেই প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই-বাছাই করা হবে।

 

দীর্ঘদিন ধরে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তান থাকা সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য আর্থিক সহায়তার দাবি জানানো হচ্ছিল। নতুন এ সুবিধার মাধ্যমে এসব পরিবারের চিকিৎসা, শিক্ষা, থেরাপি ও পরিচর্যার ব্যয়ে কিছুটা সহায়তা মিলবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

 

তবে ভাতা পেতে কী ধরনের সনদ প্রয়োজন হবে, যোগ্যতা যাচাইয়ের সুনির্দিষ্ট শর্ত কী এবং কীভাবে আবেদন করতে হবে—এসব বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের বিধি ও পরবর্তী প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে।

ইতি/