খুঁজুন
, ,

লক্ষ্মীপুরে যুবলীগ নেতা হত্যায় ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন ১৪

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Wednesday, 26 July, 2023, 10:53 am
লক্ষ্মীপুরে যুবলীগ নেতা হত্যায় ৫ জনের মৃত্যুদণ্ড, যাবজ্জীবন ১৪

লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন যুবলীগের সহ-সভাপতি মামুনুর রশিদ হত্যা মামলায় পাঁচ আসামির মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে মামলায় আরও ১৪ আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও দুজনকে খালাস দেওয়া হয়েছে।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রাপ্তদের ২০ হাজার টাকা করে জরিমানা ও অনাদায়ে আরও ১ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।

আজ বুধবার দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক সৈয়দা আমিনা ফারহিন এ রায় দেন।

জেলা জজ আদালতের সরকারি কৌঁসুলি (পিপি) জসিম উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, ‘রায়ের সময় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত মধু ও যাবজ্জীবন দণ্ডপ্রাপ্ত টিপন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। তাদেরকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিরা পলাতক রয়েছেন। তারা আদালতে উপস্থিত ছিলেন না।’

নিহত মামুনুর রশিদ চন্দ্রগঞ্জের আমানি লক্ষ্মীপুর গ্রামের আবু তৈয়ব খানের ছেলে।

মৃত্যুদণ্ড পাওয়া আসামিরা হলেন- মো. মধু, মো. মামুন, বাবু ওরফে গলাকাটা বাবু, মো. শামীম, কাউছার ওরফে ছোট কাউছার।

যাবজ্জীবন দণ্ড পাওয়া আসামিরা হলেন- জাহাঙ্গীর আলম, নেহাল, মো. বোরহান, মো. তুহিন, জাকির হোসেন, সোহরাব হোসেন, বাছির আহাম্মদ, মো. মিজান, আলমগীর হোসেন, কছির আহম্মেদ, কামরুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন, তারেক আজিজ সুজন, মো. টিপন ওরফে জাহাঙ্গীর আলম। খালাসপ্রাপ্তরা হলেন- সোহেল ও গোলাম রাব্বি।

আরও পড়ুন: ১২ কোটি ৪৬ লাখ টাকা দানকর পরিশোধ করলেন ড. ইউনূস

মামলা সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ১৮ মে রাতে সদর উপজেলা উত্তর জয়পুর ইউনিয়ন যুবলীগের সহসভাপতি মামুনুর রশিদ মোটরসাইকেলে সঙ্গী ওমর ফারুককে নিয়ে দেলিয়াই বাজার থেকে বাড়িতে ফিরছিলেন।

পথে আমানি লক্ষ্মীপুর এলাকায় পৌঁছালে সন্ত্রাসীরা তাদের গতিরোধ করে। এ সময় সঙ্গী ওমর ফারুক পালাতে পারলেও সন্ত্রাসীদের গুলিতে মামুনুর রশিদ নিহত হন। ঘটনার পরদিন নিহতের ভাই ফখরুল ইসলাম বাদী হয়ে সদর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। দীর্ঘ শুনানির পর আদালত আজ এ রায় দিলেন।

জেনেভা সেমিনারে বাংলাদেশের আইন ও বিচারব্যবস্থা নিয়ে মোনা স্ট্রিন্ডবার্গের উদ্বেগ।

AP
প্রকাশিত: Tuesday, 6 October, 2026, 1:18 pm
জেনেভা সেমিনারে বাংলাদেশের আইন ও বিচারব্যবস্থা নিয়ে মোনা স্ট্রিন্ডবার্গের উদ্বেগ।

বাংলাদেশে আইনের শাসন, গণতান্ত্রিক অধিকার ও বিচারব্যবস্থার বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন সুইডিশ আইনজীবী ও মানবাধিকারকর্মী মোনা হাগু স্ট্রিন্ডবার্গ। সুইজারল্যান্ডের জেনেভা প্রেস ক্লাবে আয়োজিত এক আন্তর্জাতিক সেমিনারে তিনি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ও বিচারিক পরিস্থিতি নিয়ে কঠোর মন্তব্য করেছেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে।

গত ২ অক্টোবর ‘বাংলাদেশের সাংবিধানিক সংকট: শিক্ষার অধিকার, বেআইনি আটক এবং সাজানো ট্রাইব্যুনালের দণ্ড’ শীর্ষক ওই সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। আয়োজকদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ‘গ্লোবাল সেন্টার ফর ডেমোক্রেটিক গভর্নেন্স’ (GCDG) এবং ‘তুমুকু ডেভেলপমেন্ট অ্যান্ড কালচারাল ইউনিয়ন’ যৌথভাবে সেমিনারটির আয়োজন করে।

বিচারব্যবস্থা নিয়ে উদ্বেগ

সেমিনারে মোনা স্ট্রিন্ডবার্গ বাংলাদেশের আইনের শাসন ও বিচারব্যবস্থার স্বাধীনতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তাঁর নামে উদ্ধৃত বক্তব্যে বলা হয়, “বাংলাদেশে এই মুহূর্তে কোনো আইনের শাসন নেই, গণতান্ত্রিক অধিকার সম্পূর্ণ ধসে পড়েছে এবং বিচার ব্যবস্থাকে রাজনৈতিক হাতিয়ার বানিয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।”

এ সময় তিনি রাজনৈতিক মামলাসহ বিভিন্ন বিচারিক প্রক্রিয়া নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন বলে প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে। বিরুদ্ধমতের ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে পরিচালিত মামলার ক্ষেত্রে নিরপেক্ষ তদন্ত, ন্যায়সংগত বিচারপ্রক্রিয়া এবং আইনি অধিকার নিশ্চিত করার ওপরও তিনি গুরুত্ব দেন বলে উল্লেখ করা হয়।

মোনা স্ট্রিন্ডবার্গের বক্তব্যে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, আইনের সমতা এবং নাগরিক অধিকার নিয়েও উদ্বেগের বিষয়টি উঠে আসে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, একটি দেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান কার্যকর রাখতে নাগরিকদের মৌলিক অধিকার, স্বাধীন বিচারব্যবস্থা এবং আইনের সমতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। এসব ক্ষেত্রে ব্যত্যয় ঘটলে তা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার কাঠামোর দৃষ্টিতেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে বলে তিনি মত দেন।

সেমিনারে শেখ হাসিনার বক্তব্য

আয়োজকদের তথ্য অনুযায়ী, সেমিনারে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনাও ভার্চুয়ালি ও অডিও বার্তার মাধ্যমে বক্তব্য দেন।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শেখ হাসিনা দেশে রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের গ্রেপ্তার, বিচারিক কার্যক্রম এবং বিভিন্ন মামলায় দেওয়া রায় নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। রাজনৈতিক হয়রানি ও বিচারের নামে অন্যায় আচরণের অভিযোগ তুলে তিনি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে বিষয়গুলো পর্যবেক্ষণের আহ্বান জানান বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

জেনেভার এই সেমিনারে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি, মানবাধিকার, বিচারব্যবস্থা ও গণতান্ত্রিক অধিকার নিয়ে আলোচনা আন্তর্জাতিক পরিসরে বিষয়গুলোকে নতুন করে সামনে এনেছে বলে আয়োজকদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।

তবে মোনা স্ট্রিন্ডবার্গের বক্তব্য, সেমিনারের আয়োজকদের পরিচয় এবং অনুষ্ঠানে উপস্থাপিত বিভিন্ন তথ্যের পূর্ণাঙ্গ প্রেক্ষাপট নিশ্চিত করতে মূল ভিডিও, লিখিত বক্তব্য ও আয়োজকদের প্রকাশিত নথি যাচাই করা প্রয়োজন।

পিরোজপুরে পুলিশ সদস্যের স্ত্রী হত্যা, তাঁতী দল নেতা গ্রেপ্তার।

AP
প্রকাশিত: Tuesday, 6 October, 2026, 12:48 pm
পিরোজপুরে পুলিশ সদস্যের স্ত্রী হত্যা, তাঁতী দল নেতা গ্রেপ্তার।

পিরোজপুরের কাউখালী উপজেলায় অবসরপ্রাপ্ত এক পুলিশ সদস্যের স্ত্রী জেসমিন বেগমকে (৪৮) ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় করা মামলার প্রধান আসামি পিরোজপুর জেলা জাতীয়তাবাদী তাঁতী দলের সাধারণ সম্পাদক মানিক হাওলাদারকে (৫০) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

সোমবার দিবাগত রাতে মাদারীপুর সদর থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে মানিক হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি-৮)। বরিশালের এসআরবি-৮-এর সহকারী পুলিশ সুপার ও মিডিয়া কর্মকর্তা ওয়ালিদ হাসান মিঠু সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

গ্রেপ্তার মানিক হাওলাদার পিরোজপুরের জিয়ানগর উপজেলার দক্ষিণ ভবানীপুর এলাকার বাসিন্দা।

বাড়ি থেকে মরদেহ উদ্ধার

রোববার সকালে কাউখালী উপজেলার শিয়ালকাঠি গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে জেসমিন বেগমের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পরিবারের সদস্যরা জানান, ঘটনার রাতে জেসমিন বাড়িতে একাই ছিলেন। সকালে স্বজনেরা বাড়ির পেছনের দরজা খোলা দেখতে পান। পরে ঘরে ঢুকে আসবাবপত্র, আলমারি ও ওয়ারড্রবসহ বিভিন্ন মালামাল এলোমেলো অবস্থায় দেখতে পান তারা। একপর্যায়ে একটি কক্ষ থেকে জেসমিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

জেসমিন একই গ্রামের মৃত আফজাল খানের বড় মেয়ে এবং অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্য কেরামত আলীর স্ত্রী। কয়েক বছর আগে স্বামীর মৃত্যুর পর তিনি ছোট মেয়েকে নিয়ে ওই বাড়িতে বসবাস করছিলেন।

পাওনা টাকা নিয়ে বিরোধের অভিযোগ

নিহতের ভাই নাজির হোসেনের অভিযোগ, তাঁর বোনকে ধর্ষণের পর পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। তাঁর দাবি, মানিক হাওলাদারের কাছে জেসমিনের প্রায় ছয় লাখ টাকা পাওনা ছিল। হত্যার পর ঘরে থাকা স্বর্ণালংকারসহ মূল্যবান সামগ্রী নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

পরিবারের সদস্যদের দাবি, মানিক হাওলাদারের সঙ্গে জেসমিনের একসময় ঘনিষ্ঠতা ছিল। তবে পাওনা টাকা নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে তাঁদের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়েছিল।

জেসমিনের মেয়ে কাকন মনি মায়ের হত্যার ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, তাঁর মাকে যারা ধর্ষণ ও নির্যাতন করে হত্যা করেছে, তদন্তের মাধ্যমে তাদের শনাক্ত করে কঠোর শাস্তি দিতে হবে।

এ ঘটনায় জেলা বিএনপির সদস্যসচিব সাইদুল ইসলাম কিসমত বলেন, তাঁরা হত্যাকাণ্ডের সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার চান। মানিক হাওলাদারের বিরুদ্ধে অভিযোগ তদন্তে প্রমাণিত হলে তাঁর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন জানান, এ ঘটনায় থানায় হত্যা মামলা হয়েছে। মরদেহের ময়নাতদন্ত করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পাওয়ার পর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ সম্পর্কে আরও নিশ্চিত হওয়া যাবে।

ধর্ষণের অভিযোগসহ পুরো ঘটনার রহস্য উদঘাটন এবং জড়িত অন্য ব্যক্তিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারে তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

তদন্ত, ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং আদালতের পরবর্তী কার্যক্রমের মাধ্যমে হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ ও অভিযোগগুলোর আইনগত অবস্থান স্পষ্ট হবে।

“শেখ হাসিনার কথাই সত্য, মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আওয়ামী লীগের হাতেই নিরাপদ” — রুমিন ফারহানা

AP
প্রকাশিত: Monday, 5 October, 2026, 11:49 pm
“শেখ হাসিনার কথাই সত্য, মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আওয়ামী লীগের হাতেই নিরাপদ” — রুমিন ফারহানা

মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়ে আওয়ামী লীগের ভূমিকা প্রসঙ্গে একটি বক্তব্যকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে। বক্তব্যে রুমিন ফারহানার নামে বলা হয়েছে, “শেখ হাসিনার কথাই সত্য। মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আওয়ামী লীগের হাতেই নিরাপদ।”

বক্তব্যটিতে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস সংরক্ষণ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা এবং দেশের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ নিয়ে আওয়ামী লীগের ভূমিকার বিষয়টি গুরুত্ব পেয়েছে।

শেখ হাসিনার রাজনৈতিক অবস্থান ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়ে আওয়ামী লীগের বক্তব্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এই মন্তব্যটি করা হয়েছে বলে উদ্ধৃত বক্তব্যে প্রতীয়মান হয়। একই সঙ্গে বাংলাদেশের রাজনীতিতে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও এর চেতনা নিয়ে বিভিন্ন দলের অবস্থানও দীর্ঘদিন ধরে আলোচনার বিষয়।

মুক্তিযুদ্ধের চেতনা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক।

বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, স্বাধীনতার মূল্যবোধ এবং রাষ্ট্র পরিচালনায় মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রয়োগ নিয়ে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের মধ্যে মতপার্থক্য দেখা গেছে।

আওয়ামী লীগ বরাবরই নিজেদের মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে তুলে ধরে আসছে। দলটির নেতারা মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ও রাজনৈতিক পরিচয়ের গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে উল্লেখ করেন।

রুমিন ফারহানার নামে প্রচারিত এই বক্তব্যে আওয়ামী লীগের সেই অবস্থানের সঙ্গে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রশ্নটি যুক্ত হয়েছে।

বক্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক তাৎপর্য

“মুক্তিযুদ্ধ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আওয়ামী লীগের হাতেই নিরাপদ”—এমন বক্তব্য বাংলাদেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল। বিশেষ করে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, রাজনৈতিক উত্তরাধিকার এবং ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ নিয়ে চলমান বিতর্কে এ ধরনের বক্তব্য নতুন করে আলোচনা তৈরি করতে পারে।