খুঁজুন
, ,

খেতে পারবেন যতটুকু

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 30 June, 2023, 3:12 am
খেতে পারবেন যতটুকু

জন্মের পর থেকেই ডায়েট মেনে চলতে হবে বলে জানিয়ে ডায়েটেশিয়ান সুমাইয়া বলেন, জন্মের পর থেকেই সবাইকে ডায়েট মেনে চলতে হবে। একজন শিশু যখন এই পৃথিবীতে আসে, তাকে ছয় মাস মায়ের বুকের দুধ ছাড়া অন্য কোনো কিছু খাওয়ানো যাবে না কথাটি আমরা সবাই জানি। কিন্তু দিনে কতবার একজন মা তার সন্তানকে দুধ খাওয়াবেন তা সঠিকভাবে জেনে নিতে হবে। এতে করে শিশুর পূর্ণ বিকাশ হয় এবং শিশুটি সুস্থভাবে বেড়ে উঠতে পারে। প্রতিটি মানুষের নিউট্রিশনাল চাহিদা ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে, তাই সেসব নিয়ম মেনেই সঠিক ডায়েট চার্ট অনুযায়ী চলতে হবে।

ডায়েটের শুধু উপকারিতা নয়, আছে কিছু অপকারিতাও। এ নিয়ে প্রুডেন্ট নিউট্রিশন অ্যান্ড ডায়েট সেন্টারের এ চিফ ডায়েটেশিয়ান এবং ট্রেইনিং স্পেশালিস্ট বলেন, সঠিক ডায়েটের সবচেয়ে বড় উপকারিতা হলো—বেশি দিন সুস্থ ও সুন্দর থাকা যায়। দুর্বলতা, বিষণ্নতা, উদ্বেগ, ডায়াবেটিস, হাইপারটেনশন, হার্ট, কিডনি, স্থূলতা থেকে দূরে থাকতে পারবেন। অপকারিতা হিসেবে এটি ধরা হয়ে থাকে যে, ডায়েটের জন্য একটু বেশি সময় ও কষ্ট করতে হয়। কী খাব বা পরিবারের সদস্যদের কী খাওয়াব, হেলদি ডায়েট কীভাবে মেনে চলব। বাজেট এবং কম সময়ের মধ্যে এসব মেনে চলা একটু কঠিন হয়ে যায় অনেক সময়।

প্রযুক্তির এ সময়ে ইউটিউব ও গুগল দেখে অনেকেই ডায়েট করা শুরু করে দেয়। তবে এটি মোটেও ঠিক নয়। সুমাইয়া বলেন, ডায়েট সম্পর্কে সঠিক জ্ঞান না নিয়ে শুরু করা অনেক সময় ক্ষতির কারণ হয়ে যায়। ধরুন, আমরা যখন একটি জামা বানাতে দিই তখন নিজের মাপের দিই, যেন তা সঠিকভাবে ফিটিংস হয়। ঠিক একইভাবে প্রত্যেকের শরীরের ধরন ও চাহিদা আলাদা হয়ে থাকে আর সে অনুযায়ী তাদের ডায়েট হওয়া উচিত। অনলাইন দেখে ডায়েট ফলো করলে অনেক সময় নানা বিপদের কারণ হয়। উদাহরণ হিসেবে যদি বলি তাহলে, যার ডায়াবেটিস আছে তিনি যদি কেটো ডায়েট ফলো করেন, তাহলে হাইপোগ্লেসেমিক হয়ে স্ট্রোক করতে পারেন। তাই ডায়েটের ক্ষেত্রে সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে অবশ্যই। এ বিষয়ে কোনো পেশাদার নিউট্রিশনিস্ট বা ডায়েশিয়ানের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কেননা তারা সব বিষয় খেয়াল রেখে ডায়েট প্ল্যানটা তৈরি করে। ডায়েট প্ল্যান একটি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি। এ ছাড়া যিনি ডায়েট প্ল্যান দিচ্ছেন তাকে অবশ্যই এ বিষয়ে পূর্ণ জ্ঞান এবং দক্ষ হতে হবে।

এদিকে কোরবানি ঈদ মানেই মাংসের নানা পদের সমারোহ থাকে চারদিকে। সঙ্গে পোলাও এবং বিভিন্ন মিষ্টান্ন তো থাকেই। তবে খাবার দেখলেই ঝাঁপিয়ে পড়লে চলবে না। মাংস খাওয়ার ক্ষেত্রে কিছু নিয়ম মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছেন সুমাইয়া রফিক। তিনি বলেন, একজন পূর্ণ বয়স্ক মানুষ ৭৫ থেকে ১০০ গ্রাম মাংস খেতে পারে। টুকরোর হিসাব করলে তিন-চারটি। গরুর ঘাড় এবং রানের মাংসে সবচেয়ে কম ফ্যাট থাকে, তাই এ অংশ বাদে অন্যান্য অংশের মাংস রান্নার আগে ভালোভাবে চর্বি ছেটে নিতে হবে। গরুর মাংস খাওয়ার পর তা হজম হতে ৮ থেকে ১২ ঘণ্টা সময় লাগে, তাই অতিরিক্ত মাংস খেলে ইনডাইজেশন, অ্যাসিড রেফ্লাক্স এবং জিআইজি ইনফ্লামেশন হতে পারে। তাই হজমের জন্য গরুর মাংসের সঙ্গে বেশি বেশি সবজি খেতে হবে। ইসপগুলের ভুসি, চিয়া সিডস ও তোকমা দানা ডায়েটে রাখা যেতে পারে। যাদের কোলেস্টেরল ও হাইপ্রেশার আছে তাদের কোনোভাবেই দিনে ৫০ গ্রামের বেশি গরুর মাংস খাওয়া উচিত নয়। যাদের কিডনি সমস্যা আছে তারা ছোট এক টুকরোর বেশি কোনোভাবেই খেতে পারবেন না। খেয়াল রাখতে হবে, সুস্থ ব্যক্তিও অতিরিক্ত গরুর মাংস খেলে ইউরিক অ্যাসিড লেভেল বেড়ে যেতে পারে এবং বাতের ব্যথা দেখা দিতে পারে। বাচ্চাদেরও এ গরমে গরুর মাংস না দেওয়াই ভালো। তবে দিনে একবেলা দেওয়া যেতে পারে।

ঈদের রান্নায় নানারকম মসলার ব্যবহার অন্যান্য সময়ের তুলনায় একটু বেশিই হয়ে থাকে। এ গরমে মসলা যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিয়ে এ নিউট্রিশনিস্ট বলেন, গুঁড়া মসলা না খেয়ে দই, কাটা মসলা, কাঁচামরিচ, ক্যাপসিকাম, টমেটো, রসুন দিয়ে রান্না করলে ভালো। সুস্থ থাকার জন্য খাবারে অতিরিক্ত লবণ, চিনি, তেল ব্যবহার থেকে বিরত থাকতে হবে। কোরবানির সময় মাংস খাওয়া হবে তাই আগে থেকেই হালকা-পাতলা খাওয়া শুরু করা ভালো। তাহলে ভালোভাবে কোরবানি ঈদের আনন্দ উপভোগ করতে পারবেন। বেশি বেশি পানি, লেবুপানি, আদা বা দারচিনি দিয়ে ফুটানো পানি খেলে তা পেটের জন্য অনেক বেশি উপকারী। এ ছাড়া কোরবানির পরপরই মাংস রান্না না করে চার-পাঁচ ঘণ্টা পর রান্না করলে তা হজমের জন্য ভালো। ফ্রিজে দুই-তিন মাসের বেশি কোরবানির মাংস সংরক্ষণ করা যাবে না। যদি মাংস থেকে কোনো কারণে গন্ধ আসে তাহলে তা রান্না না করাই ভালো।

লেখক :সুমাইয়া রফিক,পুষ্টিবিদ

জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ২০ টাকা বাড়ল, কার্যকর সোমবার থেকে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: Monday, 21 September, 2026, 12:15 pm
জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ২০ টাকা বাড়ল, কার্যকর সোমবার থেকে

দেশে ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রোল ও অকটেনের খুচরা বিক্রয়মূল্য লিটারপ্রতি ২০ টাকা করে বাড়িয়েছে সরকার। নতুন নির্ধারিত মূল্য সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) থেকে কার্যকর হয়েছে। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে।

 

নতুন মূল্য অনুযায়ী, প্রতি লিটার ডিজেল ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৫৫ টাকা, পেট্রোল ১৬০ টাকা এবং অকটেন ১৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এর আগে এসব জ্বালানির দাম ছিল যথাক্রমে ১১৫, ১৩৫, ১৪০ ও ১৪৫ টাকা।

 

আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাবে মূল্য সমন্বয়

 

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে গত মার্চ থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ও পরিবহন ব্যয় বেড়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্য দ্বিগুণের বেশি বাড়লেও জনস্বার্থ বিবেচনায় দেশে একই হারে দাম সমন্বয় করা হয়নি বলে জানিয়েছে বিভাগটি।

 

প্রজ্ঞাপনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) লোকসানের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২২ হাজার ৮৭৫ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। সে সময় আন্তর্জাতিক বাজারের দরে প্রতি লিটার ডিজেল বিক্রিতে বিপিসির লোকসান হচ্ছিল প্রায় ৮৯ টাকা। এতে দৈনিক লোকসান প্রায় ১০৯ কোটি টাকায় পৌঁছাতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

জ্বালানি বিভাগের হিসাব বলছে, নতুন মূল্য সমন্বয়ের ফলে বিপিসির বার্ষিক লোকসান প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা কমানো সম্ভব হতে পারে।

 

পরিবহন ও নিত্যপণ্যের বাজারে প্রভাবের শঙ্কা

 

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে পরিবহন, কৃষি, সেচ এবং পণ্য পরিবহনের ব্যয় বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এর প্রভাব নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারেও পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

তবে নতুন দাম কার্যকরের পর পরিবহন ভাড়া কিংবা পণ্যমূল্য কতটা বাড়বে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

 

নতুন দাম একনজরে

 

– ডিজেল: ১৩৫ টাকা প্রতি লিটার

– কেরোসিন: ১৫৫ টাকা প্রতি লিটার

– পেট্রোল: ১৬০ টাকা প্রতি লিটার

– অকটেন: ১৬৫ টাকা প্রতি লিটার

ইতি।

অপ্রতীম হত্যা: আদালতে দায় স্বীকার তিন আসামির, কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: Monday, 21 September, 2026, 12:03 pm
অপ্রতীম হত্যা: আদালতে দায় স্বীকার তিন আসামির, কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

কুমিল্লায় ১৩ বছর বয়সী স্কুলশিক্ষার্থী ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতীম হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার চার আসামির মধ্যে তিনজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় তাঁদের জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।

 

আদালতসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জবানবন্দি দেওয়া তিন আসামি হলেন সাইফুল ইসলাম ওরফে তুহিন, মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ ও কামরুল হাসান। মামলার অপর আসামি মো. সিয়াম জবানবন্দি দেননি বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। জবানবন্দি গ্রহণের পর আসামিদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। তাঁদের মধ্যে অপ্রাপ্তবয়স্ক আসামিদের ক্ষেত্রে শিশু আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টিও রয়েছে।

 

আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে হত্যার অভিযোগ

 

পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে, অপ্রতীমের মায়ের ব্যবহৃত আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে তাকে লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার নির্জন জঙ্গলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ফোনটি নেওয়ার সময় বাধা দিলে তার মাথায় বাঁশের লাঠি দিয়ে আঘাত করা হয়। এতে তার মৃত্যু হয় বলে পুলিশের দাবি।

 

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, নিখোঁজের পর সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে সাইফুল ইসলাম ওরফে তুহিনকে শনাক্ত করা হয়। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদে আরও দুজনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায় বলে জানিয়েছে পুলিশ। তুহিনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অপ্রতীমের ব্যবহৃত আইফোনটি তার বাসার খাটের তোশকের নিচ থেকে উদ্ধার করা হয়।

 

যেভাবে উদ্ধার হয় অপ্রতীমের মরদেহ

 

গত শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকার গন্ধমতীতে ভাড়া বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয় অপ্রতীম। পরদিন শনিবার দুপুরে সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর ইউনিয়নের সানন্দা গ্রামের লালমাই পাহাড়সংলগ্ন একটি নির্জন জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

 

অপ্রতীম কুমিল্লা বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার এ ঘটনায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

তদন্ত অব্যাহত

পুলিশ জানিয়েছে, মামলার তদন্ত এখনো চলমান। আদালতে দেওয়া জবানবন্দি, উদ্ধার করা আলামত এবং অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ যাচাই করা হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডে আর কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ইতি/

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তান থাকলে সরকারি চাকরিজীবীরা পাবেন মাসে ৩ হাজার টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: Saturday, 19 September, 2026, 6:23 pm
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তান থাকলে সরকারি চাকরিজীবীরা পাবেন মাসে ৩ হাজার টাকা

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন বা প্রতিবন্ধী সন্তান থাকা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য মাসিক আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা করা হয়েছে নতুন বেতনকাঠামোয়। নতুন বিধান অনুযায়ী, একজন সরকারি চাকরিজীবী সর্বোচ্চ দুই সন্তানের জন্য প্রতি মাসে ৩ হাজার টাকা করে ভাতা পাবেন।

 

অর্থাৎ, কোনো সরকারি চাকরিজীবীর দুই সন্তান বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন হলে তিনি মাসে সর্বোচ্চ ৬ হাজার টাকা ভাতা পাওয়ার সুযোগ পাবেন। তবে দুইয়ের বেশি সন্তান থাকলেও ভাতা দেওয়া হবে সর্বোচ্চ দুই সন্তানের জন্য।

 

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত সরকারি বেতনকাঠামোসংক্রান্ত গেজেটে এ সুবিধার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানের ক্ষেত্রে এ ধরনের ভাতা চালুর উদ্যোগ এবারই প্রথম।

 

গেজেটের বিধান অনুযায়ী, একই সন্তানের জন্য একাধিক সরকারি ভাতা একসঙ্গে নেওয়ার সুযোগ থাকবে না। ভাতার অর্থ বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানের মা অথবা বাবার ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হবে। চাকরিতে থাকা অবস্থায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এ সুবিধা পাওয়ার সুযোগ রাখবেন।

 

নতুন বেতনকাঠামোর আওতায় প্রায় ২৪ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং প্রায় ৯ লাখের বেশি পেনশনভোগী সুবিধা পাওয়ার কথা রয়েছে। তবে সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তান রয়েছে—এমন পরিবারের সঠিক সংখ্যা এখনো নির্ধারিত হয়নি।

 

এ সংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার জন্য সরকারের সমন্বিত বাজেট ও হিসাব ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার (আইবাস++)-এ প্রয়োজনীয় তথ্য যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

 

ভাতা দেওয়ার আগে সন্তানের প্রতিবন্ধিতা বা বিশেষ চাহিদার বিষয়টি যাচাই করা হবে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা কর্মচারী যে মন্ত্রণালয় বা দপ্তরে কর্মরত, সেখান থেকেই প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই-বাছাই করা হবে।

 

দীর্ঘদিন ধরে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তান থাকা সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য আর্থিক সহায়তার দাবি জানানো হচ্ছিল। নতুন এ সুবিধার মাধ্যমে এসব পরিবারের চিকিৎসা, শিক্ষা, থেরাপি ও পরিচর্যার ব্যয়ে কিছুটা সহায়তা মিলবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

 

তবে ভাতা পেতে কী ধরনের সনদ প্রয়োজন হবে, যোগ্যতা যাচাইয়ের সুনির্দিষ্ট শর্ত কী এবং কীভাবে আবেদন করতে হবে—এসব বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের বিধি ও পরবর্তী প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে।

ইতি/