খুঁজুন
, ,

সব দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন করতে শেখ হাসিনাকে কানাডার ৮ এমপির চিঠি

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Friday, 10 November, 2023, 11:39 am
সব দলের অংশগ্রহণে নির্বাচন করতে শেখ হাসিনাকে কানাডার ৮ এমপির চিঠি

বাংলাদেশের আগামী সংসদ নির্বাচন সব রাজনৈতিক দলের অংশগ্রহণে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ প্রক্রিয়ায় হোক— এমনটি চায় কানাডার হাউস অব কমন্সের আট সদস্য। নিজেদের এমন প্রত্যাশার কথা জানিয়ে তারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চিঠি লিখেছেন।

বুধবার প্রধানমন্ত্রীর কাছে তারা চিঠি পাঠান। কানাডার ওই আট রাজনীতিক কানাডা-বাংলাদেশ পার্লামেন্টারি ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপের সদস্য।

শুক্রবার কানাডা-বাংলাদেশ পার্লামেন্টারি ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপের চেয়ার ব্রেড রেডেকপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (টুইটার) এ তথ্য জানিয়েছেন।

কানাডার হাউস অব কমন্সের আট সদস্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে চিঠিতে লিখেছেন— কানাডা-বাংলাদেশ পার্লামেন্টারি ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপের সদস্য হিসেবে বাংলাদেশে ২০২৪ জানুয়ারির নির্বাচন যাতে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হয়, তা নিয়ে গভীর প্রত্যাশা থেকে আপনাকে লিখছি। এ নির্বাচন বাংলাদেশের কোটি কোটি ভোটারকে দেশ পরিচালনার জন্য পছন্দের রাজনৈতিক দল বেছে নেওয়ার সুযোগ করে দেবে বলেই মনে করি। এ লক্ষ্য পূরণে আমরা কয়েকটি প্রত্যাশার বিষয় তুলে ধরছি—

আমরা আশা করি, সরকার মতপ্রকাশের স্বাধীনতা সমুন্নত রাখবে এবং ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবে।

আমাদের প্রত্যাশা— ভোটারদের ভয়ভীতি দেখানো, ভোট কারচুপি ও ব্যালটবাক্স ভর্তি করে দেওয়ার মতো ভোটে অনিয়ম রোধের বিষয়টি নিশ্চিত করতে সরকার সতর্কতার সঙ্গে যথাসাধ্য কাজ করে যাবে।

আমরা আশা করব— সহিংসতা রোধ এবং যে কোনো রাজনৈতিক মতাদর্শে বাংলাদেশের সব জনগণকে সুরক্ষায় সরকার সব ব্যবস্থা নেবে এবং আমাদের প্রত্যাশা থাকবে বাংলাদেশের সব বৈধ ভোটারের সক্রিয় অংশগ্রহণে সহায়ক ভূমিকা রাখবে।

কানাডা ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক যথেষ্ট শক্তিশালী। আমরা চাই— ভবিষ্যতে এ সম্পর্ক আরও বিকশিত হোক। দুই দেশে গণতান্ত্রিক সরকার থাকলে তখনই সম্পর্কের এ বিকাশ সম্ভব।

চিঠির শেষে কানাডা-বাংলাদেশ পার্লামেন্টারি ফ্রেন্ডশিপ গ্রুপের আট সদস্য লিখেছেন— ‘স্বচ্ছতার সঙ্গে সব রাজনৈতিক দলকে যুক্ত করে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচনি প্রক্রিয়া নিশ্চিত করে গণতান্ত্রিক ঐতিহ্য বিকাশের ধারা অব্যাহত রাখতে আপনার প্রতি আহ্বান জানাই।’

সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের মামাতো ভাই গ্রেপ্তার।

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: Wednesday, 7 October, 2026, 4:34 pm
সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের মামাতো ভাই গ্রেপ্তার।

সাবেক স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেকের মামাতো ভাই এবং মানিকগঞ্জের সাটুরিয়া উপজেলার হরগজ ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন খান জ্যোতিকে (৬৫) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) সন্ধ্যায় সাটুরিয়া উপজেলার হরগজ এলাকার নিজ বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয় বলে পুলিশ জানিয়েছে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাটুরিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোশাররফ হোসেন।

আনোয়ার হোসেন খান জ্যোতি হরগজ ইউনিয়নের বালুচর এলাকার মমতাজ উদ্দিনের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন স্থানীয় আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। একই সঙ্গে তিনি হরগজ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

তবে মামলাটির নির্দিষ্ট ধারা বা অভিযোগের বিস্তারিত তাৎক্ষণিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি। তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্মকর্তা।

স্থানীয় রাজনীতিতে জ্যোতি সাবেক স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেকের ঘনিষ্ঠ আত্মীয় হিসেবে পরিচিত। তার গ্রেপ্তারের খবর ছড়িয়ে পড়ার পর স্থানীয় রাজনৈতিক অঙ্গনে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা তৈরি হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে, গ্রেপ্তারের পর মামলার নিয়ম অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনগত কার্যক্রম নেওয়া হবে। অভিযোগের বিষয়ে আদালতের পরবর্তী কার্যক্রম ও তদন্তের অগ্রগতির ওপরই এখন বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যাবে।

প্রধানমন্ত্রী মোদির পর ভারতের সেনাপ্রধানের সঙ্গে দীনেশ ত্রিবেদীর বৈঠক।

AP
প্রকাশিত: Wednesday, 7 October, 2026, 9:33 am
প্রধানমন্ত্রী মোদির পর ভারতের সেনাপ্রধানের সঙ্গে দীনেশ ত্রিবেদীর বৈঠক।

বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতের হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠকের পর ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ধীরাজ সেঠের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠিত এ বৈঠকে বাংলাদেশ-ভারত প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহযোগিতাসহ দ্বিপক্ষী য় বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে।
ভারতীয় সেনাবাহিনীর অতিরিক্ত জনসংযোগ অধিদপ্তর (এডিজিপিআই) এবং সংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাত দিয়ে জানা যায়, মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে সেনাপ্রধান জেনারেল ধীরাজ সেঠের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। বৈঠকে দুই দেশের প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, সীমান্ত নিরাপত্তা এবং সামরিক পর্যায়ে পারস্পরিক যোগাযোগ আরও জোরদার করার বিষয় গুরুত্ব পেয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এর আগে একই দিন দুপুরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গেও বৈঠক করেন দীনেশ ত্রিবেদী। কূটনৈতিক সূত্রগুলো জানিয়েছে, সোমবার রাতে ঢাকা থেকে নয়াদিল্লিতে পৌঁছান তিনি। তার এই সফরটি ছিল অঘোষিত।
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে বাংলাদেশ-ভারত দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে বলে জানা গেছে। বিশেষ করে সাম্প্রতিক পরিস্থিতি, দুই দেশের পারস্পরিক স্বার্থ এবং ভবিষ্যৎ সম্পর্কের বিভিন্ন দিক নিয়ে ঢাকার অবস্থান তুলে ধরা হয়ে থাকতে পারে বলে কূটনৈতিক মহলে ধারণা করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রী মোদির সঙ্গে বৈঠকের পরপরই সেনাপ্রধানের সঙ্গে দীনেশ ত্রিবেদীর সাক্ষাৎ নতুন করে গুরুত্ব পেয়েছে। কারণ বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সীমান্ত ব্যবস্থাপনা, নিরাপত্তা এবং প্রতিরক্ষা সহযোগিতা দীর্ঘদিন ধরে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।
দীনেশ ত্রিবেদী গত এপ্রিল মাসে বাংলাদেশে ভারতের হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ পান এবং জুনে ঢাকায় দায়িত্ব গ্রহণ করেন। এর আগে তিনি ভারতের রেলমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন এবং দেশটির রাজনীতিতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন।
অন্যদিকে জেনারেল ধীরাজ সেঠ গত ৩০ জুন ভারতীয় সেনাবাহিনীর ৩১তম প্রধান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তিনি জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদীর স্থলাভিষিক্ত হন।
দীনেশ ত্রিবেদী দায়িত্ব নেওয়ার আগেও ভারতের তৎকালীন সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদীর সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। ফলে নতুন সেনাপ্রধানের সঙ্গে তার সাম্প্রতিক সাক্ষাৎকে বাংলাদেশ-ভারত সামরিক ও নিরাপত্তা সম্পর্কের ধারাবাহিক যোগাযোগের অংশ হিসেবেই দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
তবে মঙ্গলবারের বৈঠকে নির্দিষ্টভাবে কী কী বিষয়ে সিদ্ধান্ত বা আলোচনা হয়েছে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কোনো আনুষ্ঠানিক তথ্য প্রকাশ করা হয়নি।

ঝিনাইদহে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্যে ভাঙচুর ।

AP
প্রকাশিত: Tuesday, 6 October, 2026, 11:18 pm
ঝিনাইদহে বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্যে ভাঙচুর ।

ঝিনাইদহে নির্মাণাধীন বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ হামিদুর রহমানের ভাস্কর্যে ভাঙচুরের অভিযোগ উঠেছে। ভাস্কর্যটির বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় দেখা গেছে। এ ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
ছবিতে দেখা যায়, ভাস্কর্যটির একটি অংশে ব্যাপক ক্ষতির চিহ্ন রয়েছে। ভাস্কর্যের বিভিন্ন জায়গায় নির্মাণসামগ্রী ও বৈদ্যুতিক তারের উপস্থিতিও দেখা যাচ্ছে। পাশাপাশি ভাস্কর্যের সামনে থাকা সাইনবোর্ডে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘বীরশ্রেষ্ঠ শহীদ হামিদুর রহমান স্মৃতিস্তম্ভের মেরামত কাজ চলছে।’
সাইনবোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, স্মৃতিস্তম্ভটির মেরামতের কাজ করছে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, ঝিনাইদহ জেলা কমান্ড।
স্থানীয়দের অভিযোগ, নির্মাণাধীন এই স্মৃতিস্তম্ভে জুতার মালা পরিয়ে এবং ভাস্কর্যের অংশবিশেষ ক্ষতিগ্রস্ত করে অবমাননা করা হয়েছে। ঘটনাটি ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও নানা প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। তবে কারা এবং কী কারণে এ ঘটনা ঘটিয়েছে, সে বিষয়ে ছবিতে বা প্রদত্ত তথ্যে নির্দিষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুর রহমান বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম বীর শহীদ।

তাঁর নামে নির্মাণাধীন স্মৃতিস্তম্ভে এমন ঘটনার অভিযোগে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও স্মৃতির প্রতি সম্মান রক্ষার বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা। একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত ভাস্কর্য দ্রুত সংস্কার করে স্মৃতিস্তম্ভটির নির্মাণকাজ যথাযথভাবে সম্পন্ন করার আহ্বান জানানো হয়েছে।