খুঁজুন
, ,

সরকার লাইফ সাপোর্টে, যে কোন সময় বিদায়ী সাইরেন বেজে উঠবে-নোমান

ডেস্ক নিউজ
প্রকাশিত: Saturday, 30 September, 2023, 1:54 pm
সরকার লাইফ সাপোর্টে, যে কোন সময় বিদায়ী সাইরেন বেজে উঠবে-নোমান

 

বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী আবদুল্লাহ আল নোমান বলেছেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকার ভোট চোর হিসেবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পেয়েছে। কেউ আবেদন করলে গ্রীনেসবুক কর্তৃপক্ষ ভোট চোর হিসেবে তাঁদের স্বীকৃতি দেবে। সারা বিশ্বে তারা বন্ধুহীন একঘরে হয়ে গেছে কারণ ভোট চোরদের কেউ বন্ধুর তালিকায় রাখতে চাইনা। সরকারের অপকর্মের খেসারত দিতে হচ্ছে দেশের জনগণকে। সরকার এখন লাইফ সাপোর্ট, যে কোন সময় বিদায়ী সাইরেন বেজে উঠবে।

আজ বিকাল ৩টায় নগরীর পাহাড়তলী সাগরিকা স্কয়ারের সামনের মাঠে পাহাড়তলী থানা বিএনপি’র উদ্যোগে আগামী ৫ অক্টোবর চট্টগ্রাম অভিমুখে বিএনপি ঘোষিত রোড মার্চ কর্মসূচীর সমর্থনে আয়োজিত এক বিশাল সমাবেশে আবদুল্লাহ আল নোমান প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখছিলেন।

আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, দেশের জনগণের ভোটাধিকার ও গণতন্ত্র পূনরুদ্ধার করার জন্য ফ্যাসিষ্ট সরকারের পদত্যাগের একদফা দাবী এখন গণদাবীতে পরিণত হয়েছে। এই এক দফা দাবীতে বিএনপি ঘোষিত আগামী ৫ অক্টোবর চট্টগ্রাম অভিমুখে যুবদল, স্বেচ্ছাসেবকদল ও ছাত্রদলের রোড মার্চে অংশগ্রহণ করে সবাইকে ইতিহাসের সাক্ষী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে আবদুল্লাহ আল নোমান বলেন, বিএনপি বিজয়ের মুখোমুখি আর আওয়ামীলীগ পরাজয়ের দ্বারপ্রান্তে। কোন ষড়যন্ত্র ও চক্রান্ত করে ক্ষমতা প্রলম্বিত করার কোন সুযোগ আওয়ামীলীগ পাবে না। জনগণকে সাথে নিয়ে তাঁদের সকল ষড়যন্ত্রের দাঁতভাঙ্গা জবাব দেওয়া হবে। তিনি বলেন, দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া’র নিঃশর্ত মুক্তির দাবীতে বিএনপি কেন্দ্রীয় কমিটির পক্ষ থেকে কঠোর কর্মসূচী ঘেষণা করা হলে সেই কর্মসূচী চট্টগ্রামে সফলভাবে পালনের মাধ্যমে দেশনেত্রীকে আমরা মুক্ত করবো ইনশাল্লাহ।

পাহাড়তলী থানা বিএনপি’র সভাপতি হাজী বাবুল হকের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক জসীম উদ্দীন জিয়ার সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত সমাবেশে প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেন, বিএনপি’র কেন্দ্রীয় কমিটির শ্রম বিষয়ক সম্পাদক এ এম নাজিম উদ্দিন, মহানগর বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক আবুল হাশেম বক্কর, বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, মহানগর বিএনপি নেতা শামসুল আলম, এস.কে খোদা তোতন, এডভোকেট মফিজুল হক ভূঁইয়া, আহমেদুল আলম রাসেল, গাজী সিরাজ উল্লাহ, হাজী নবাব খাঁন, পটিয়া উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান ইদ্রিস মিয়া, হালিশহর থানা বিএনপি’র সভাপতি মোশারফ হোসেন ডিপ্টি, পাঁচলাইশ থানা বিএনপি’র সভাপতি মামুনুল ইসলাম হুমায়ুন, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের সাধারণ সম্পাদক বেলায়েত হোসেন বুলু, মহিলা দলের সাধারণ সম্পাদিকা জেলী চৌধুরী, মহানগর ছাত্রদলের সদস্য সচিব শরিফুল ইসলাম তুহিন, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সভাপতি আলাউদ্দীন মহসীন, সাধারণ সম্পাদক আবদুল্লাহ আল নোমান, সরাইপাড়া ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি খাজা আলাউদ্দীন, সাধারণ সম্পাদক আশরাফ খাঁন, দক্ষিণ কাট্টলী ওয়ার্ড বিএনপি’র আহ্বায়ক সাইফুল আলম, সদস্য সচিব মোহাম্মদ শফিউল্লাহ, উত্তর হালিশহর ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি মোশারফ জামাল, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার হোসেন আরজু, রামপুর ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি শরিফুল ইসলাম, শুলকবহর ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি কাজী শামসুল আলম, সাধারণ সম্পাদক হাসান ওসমান, পাহাড়তলী ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি জাহেদ মাষ্টার, সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আজাদ, মহানগর বিএনপি নেতা আবদুল হালিম স্বপন প্রমুখ।

প্রধান বক্তার বক্তব্যে মীর মোহাম্মদ নাছির উদ্দীন বলেন, সরকার রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে দেওলিয়া হয়ে গেছে। পুলিশ প্রশাসনকে সরকারের আজ্ঞাবহ না হয়ে জনগণের চোখের ভাষা বোঝার চেষ্টা করার অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, সরকারের অবৈধ আদেশ নির্দেশ মেনে আপনাদের কোন লাভ হবে না কারণ সরকারের কর্তা ব্যক্তিরা পালানোর পথ খুজছে, তারা যে কোন সময় পালিয়ে যাবে কিন্তু আপনাদের বিচারের মুখোমুখি হতে হবে। তিনি পুলিশকে জনগণের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, সরকার পতনের এক দফা আন্দোলন এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে। চট্টগ্রাম অভিমুখে আগামী ৫ অক্টোবরের রোড মার্চ কর্মসূচীতে গণজাগরণ সৃষ্টি হবে। চট্টগ্রামবাসী রোড মার্চে অংশগ্রহণকারীদের স্বাগত জানাতে সর্বাত্মকভাবে প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে।

আবুল হাশেম বক্কর বলেন, আমরা এক দফা দাবীতে আন্দোলন করছি এবং হাসিনার পতনের মাধ্যমে এক দফা দাবী আদায় করে ঘরে ফিরবো।মীর হেলাল বলেন, চট্টগ্রাম হচ্ছে আন্দোলনের সুতিকাগার। চট্টগ্রাম থেকেই হাসিনার পতন ঘন্টা বাজানো হবে।

জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ২০ টাকা বাড়ল, কার্যকর সোমবার থেকে

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: Monday, 21 September, 2026, 12:15 pm
জ্বালানি তেলের দাম লিটারে ২০ টাকা বাড়ল, কার্যকর সোমবার থেকে

দেশে ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রোল ও অকটেনের খুচরা বিক্রয়মূল্য লিটারপ্রতি ২০ টাকা করে বাড়িয়েছে সরকার। নতুন নির্ধারিত মূল্য সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) থেকে কার্যকর হয়েছে। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে।

 

নতুন মূল্য অনুযায়ী, প্রতি লিটার ডিজেল ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৫৫ টাকা, পেট্রোল ১৬০ টাকা এবং অকটেন ১৬৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এর আগে এসব জ্বালানির দাম ছিল যথাক্রমে ১১৫, ১৩৫, ১৪০ ও ১৪৫ টাকা।

 

আন্তর্জাতিক বাজারের প্রভাবে মূল্য সমন্বয়

 

জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান সংঘাতের কারণে গত মার্চ থেকে আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ও পরিবহন ব্যয় বেড়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্য দ্বিগুণের বেশি বাড়লেও জনস্বার্থ বিবেচনায় দেশে একই হারে দাম সমন্বয় করা হয়নি বলে জানিয়েছে বিভাগটি।

 

প্রজ্ঞাপনের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চ থেকে আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) লোকসানের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে প্রায় ২২ হাজার ৮৭৫ কোটি ৬৬ লাখ টাকা। সে সময় আন্তর্জাতিক বাজারের দরে প্রতি লিটার ডিজেল বিক্রিতে বিপিসির লোকসান হচ্ছিল প্রায় ৮৯ টাকা। এতে দৈনিক লোকসান প্রায় ১০৯ কোটি টাকায় পৌঁছাতে পারে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

 

জ্বালানি বিভাগের হিসাব বলছে, নতুন মূল্য সমন্বয়ের ফলে বিপিসির বার্ষিক লোকসান প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা কমানো সম্ভব হতে পারে।

 

পরিবহন ও নিত্যপণ্যের বাজারে প্রভাবের শঙ্কা

 

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির কারণে পরিবহন, কৃষি, সেচ এবং পণ্য পরিবহনের ব্যয় বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। এর প্রভাব নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারেও পড়তে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

 

তবে নতুন দাম কার্যকরের পর পরিবহন ভাড়া কিংবা পণ্যমূল্য কতটা বাড়বে, সে বিষয়ে এখনো নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

 

নতুন দাম একনজরে

 

– ডিজেল: ১৩৫ টাকা প্রতি লিটার

– কেরোসিন: ১৫৫ টাকা প্রতি লিটার

– পেট্রোল: ১৬০ টাকা প্রতি লিটার

– অকটেন: ১৬৫ টাকা প্রতি লিটার

ইতি।

অপ্রতীম হত্যা: আদালতে দায় স্বীকার তিন আসামির, কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: Monday, 21 September, 2026, 12:03 pm
অপ্রতীম হত্যা: আদালতে দায় স্বীকার তিন আসামির, কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ

কুমিল্লায় ১৩ বছর বয়সী স্কুলশিক্ষার্থী ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতীম হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার চার আসামির মধ্যে তিনজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) রাতে কুমিল্লার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় তাঁদের জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।

 

আদালতসংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জবানবন্দি দেওয়া তিন আসামি হলেন সাইফুল ইসলাম ওরফে তুহিন, মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ ও কামরুল হাসান। মামলার অপর আসামি মো. সিয়াম জবানবন্দি দেননি বলে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। জবানবন্দি গ্রহণের পর আসামিদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন আদালত। তাঁদের মধ্যে অপ্রাপ্তবয়স্ক আসামিদের ক্ষেত্রে শিশু আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়টিও রয়েছে।

 

আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে হত্যার অভিযোগ

 

পুলিশের তদন্তে উঠে এসেছে, অপ্রতীমের মায়ের ব্যবহৃত আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে তাকে লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার নির্জন জঙ্গলে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ফোনটি নেওয়ার সময় বাধা দিলে তার মাথায় বাঁশের লাঠি দিয়ে আঘাত করা হয়। এতে তার মৃত্যু হয় বলে পুলিশের দাবি।

 

তদন্তসংশ্লিষ্ট সূত্রের বরাতে জানা গেছে, নিখোঁজের পর সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে সাইফুল ইসলাম ওরফে তুহিনকে শনাক্ত করা হয়। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদে আরও দুজনের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায় বলে জানিয়েছে পুলিশ। তুহিনের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে অপ্রতীমের ব্যবহৃত আইফোনটি তার বাসার খাটের তোশকের নিচ থেকে উদ্ধার করা হয়।

 

যেভাবে উদ্ধার হয় অপ্রতীমের মরদেহ

 

গত শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) কুমিল্লার কোটবাড়ি এলাকার গন্ধমতীতে ভাড়া বাসা থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয় অপ্রতীম। পরদিন শনিবার দুপুরে সদর দক্ষিণ উপজেলার বিজয়পুর ইউনিয়নের সানন্দা গ্রামের লালমাই পাহাড়সংলগ্ন একটি নির্জন জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

 

অপ্রতীম কুমিল্লা বর্ডার গার্ড পাবলিক স্কুলের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। তার বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার এ ঘটনায় সদর দক্ষিণ মডেল থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।

তদন্ত অব্যাহত

পুলিশ জানিয়েছে, মামলার তদন্ত এখনো চলমান। আদালতে দেওয়া জবানবন্দি, উদ্ধার করা আলামত এবং অন্যান্য তথ্য-প্রমাণ যাচাই করা হচ্ছে। হত্যাকাণ্ডে আর কেউ জড়িত রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ইতি/

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তান থাকলে সরকারি চাকরিজীবীরা পাবেন মাসে ৩ হাজার টাকা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: Saturday, 19 September, 2026, 6:23 pm
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তান থাকলে সরকারি চাকরিজীবীরা পাবেন মাসে ৩ হাজার টাকা

বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন বা প্রতিবন্ধী সন্তান থাকা সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য মাসিক আর্থিক সহায়তার ব্যবস্থা করা হয়েছে নতুন বেতনকাঠামোয়। নতুন বিধান অনুযায়ী, একজন সরকারি চাকরিজীবী সর্বোচ্চ দুই সন্তানের জন্য প্রতি মাসে ৩ হাজার টাকা করে ভাতা পাবেন।

 

অর্থাৎ, কোনো সরকারি চাকরিজীবীর দুই সন্তান বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন হলে তিনি মাসে সর্বোচ্চ ৬ হাজার টাকা ভাতা পাওয়ার সুযোগ পাবেন। তবে দুইয়ের বেশি সন্তান থাকলেও ভাতা দেওয়া হবে সর্বোচ্চ দুই সন্তানের জন্য।

 

শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) প্রকাশিত সরকারি বেতনকাঠামোসংক্রান্ত গেজেটে এ সুবিধার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। সংশ্লিষ্টদের মতে, সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানের ক্ষেত্রে এ ধরনের ভাতা চালুর উদ্যোগ এবারই প্রথম।

 

গেজেটের বিধান অনুযায়ী, একই সন্তানের জন্য একাধিক সরকারি ভাতা একসঙ্গে নেওয়ার সুযোগ থাকবে না। ভাতার অর্থ বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তানের মা অথবা বাবার ব্যাংক হিসাবে পাঠানো হবে। চাকরিতে থাকা অবস্থায় সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা এ সুবিধা পাওয়ার সুযোগ রাখবেন।

 

নতুন বেতনকাঠামোর আওতায় প্রায় ২৪ লাখ সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং প্রায় ৯ লাখের বেশি পেনশনভোগী সুবিধা পাওয়ার কথা রয়েছে। তবে সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তান রয়েছে—এমন পরিবারের সঠিক সংখ্যা এখনো নির্ধারিত হয়নি।

 

এ সংক্রান্ত তথ্য সংরক্ষণ ও ব্যবস্থাপনার জন্য সরকারের সমন্বিত বাজেট ও হিসাব ব্যবস্থাপনা সফটওয়্যার (আইবাস++)-এ প্রয়োজনীয় তথ্য যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

 

ভাতা দেওয়ার আগে সন্তানের প্রতিবন্ধিতা বা বিশেষ চাহিদার বিষয়টি যাচাই করা হবে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা বা কর্মচারী যে মন্ত্রণালয় বা দপ্তরে কর্মরত, সেখান থেকেই প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই-বাছাই করা হবে।

 

দীর্ঘদিন ধরে বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন সন্তান থাকা সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য আর্থিক সহায়তার দাবি জানানো হচ্ছিল। নতুন এ সুবিধার মাধ্যমে এসব পরিবারের চিকিৎসা, শিক্ষা, থেরাপি ও পরিচর্যার ব্যয়ে কিছুটা সহায়তা মিলবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

 

তবে ভাতা পেতে কী ধরনের সনদ প্রয়োজন হবে, যোগ্যতা যাচাইয়ের সুনির্দিষ্ট শর্ত কী এবং কীভাবে আবেদন করতে হবে—এসব বিষয়ে বিস্তারিত নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের বিধি ও পরবর্তী প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে নির্ধারণ করা হবে।

ইতি/